চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণেই জোয়ার-ভাটার সৃষ্টি হয়
দিলীপ কুমার রায়, সহকারী শিক্ষক
তালুক শাখাতী উচ্চ বিদ্যালয়, লালমনিরহাট
রফিক তার বন্ধু সুজনের বাড়িতে বেড়াতে গেলে জানতে পেল সুজনের দাদা একসময় নৌবাহিনীতে চাকরি করতেন। এখন তিনি অবসরে আছেন। ওরা দুই বন্ধু খাওয়া দাওয়া শেষে বিশাল জলরাশির গল্প শুনার জন্য দাদার কাছে গিয়ে বসলো। দাদা জানালো পৃথিবীর নিচু অংশগুলোই বারিমণ্ডল। এগুলো মহাসাগর, নদী ও হ্রদের সমন্বয়ে সৃষ্ট। ভূপৃষ্ঠের সাত ভাগের পাঁচ ভাগই বারিমণ্ডলের অন্তর্গত।
(ক) ল্যাব্রাডার স্রোতের পানির রঙ কোনদিকে প্রবাহিত হয়?
(খ) ল্যাব্রাডর স্রোত কী? ব্যাখ্য করো ।
(গ) তোমার কাছে প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগরের কী কী সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়? ব্যাখ্যা করো।
(ঘ) ‘বায়ুপ্রবাহের ফলে সমুদ্র স্রোতের সৃষ্টি হয়’- তোমার মতামতের স্বপক্ষে যুক্তি দাও।
(ক) জোয়ার ভাটা বলতে কী বোঝ?
(খ) মহাকর্ষ শক্তি কী? ব্যাখ্যা করো ।
(গ) ‘চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণেই জোয়ার-ভাটার সৃষ্টি হয়’ ব্যাখ্যা করো ।
(ঘ) মানব জীবনে জোয়ার-ভাটার প্রভাব কতটুকু গুরুত্বপুর্ণ বলে তুমি মনে করো? বর্ণনা করো ।