স্পোর্টস রিপোর্টার
বাবার (প্রয়াত আফজালুর রহমান সিনহা) হাত ধরেই সংগঠক তকমাটা গায়ে লেগে গেছে ফাহিম সিনহার। ২০১০ সালেই বাংলাদেশ ‘এ’ দল, ২০১২ সালে যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এবার সংগঠক পরিচয়টাকে স্থায়ী রুপ দিতে যাচ্ছেন ফাহিম। বিসিবির আসন্ন নির্বাচনে ক্যাটাগরি-২ এ ১২ পরিচালক পদের বিপরীতে নির্বাচনে শামিল হওয়া ১৬ প্রার্থীর একজন তিনি।
প্রথম বার ভোটের লড়াইয়ে নামতেই একটু চ্যালেঞ্জ, চিন্তা হচ্ছে ফাহিমের। তবে বাবার বর্ণাঢ্য জীবন থেকে প্রেরণা, শিক্ষা নিচ্ছেন তিনি। এখন ভোটারদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করছেন, ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন। সবমিলিয়ে নির্বাচনের বৈতরণী পার হওয়ার আশা করছেন একমি ল্যাবরেটরিজের পরিচালক ফাহিম।
পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগে বিলিয়ার্ড খেলোয়াড় হিসেবে তিন বার (২০১৩, ২০১৪, ২০১৫) বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। বাংলাদেশ বিলিয়ার্ড এবং স্নুকার ফেডারেশনের সঙ্গে জড়িত ফাহিম। ২০০৪-০৫ মৌসুমে করপোরেট টুর্নামেন্ট দিয়ে ক্রিকেটে তার সম্পৃক্ততা শুরু। সূর্যতরুণ ক্লাবে দায়িত্ব পালন করছেন অনেক বছর ধরে।
ক্রিকেটের সংগঠক, নির্বাচনের কাউন্সিলরদের সঙ্গে পরিচয় অনেক দিনের, যা আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে ফাহিমকে। একান্ত আলাপে তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচন তো অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং মনে হচ্ছে। অনেক কাজ করতে হচ্ছে। সবার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হচ্ছে। প্রথম অভিজ্ঞতা একটু টেনশনও লাগে। যাদের সঙ্গে কথা বলেছি, সবার কাছে দোয়া চেয়েছি। যাদের সঙ্গে কথা বলছি, সবাইকে ইতিবাচক মনে হচ্ছে।’
প্রয়াত আফজালুর রহমান সিনহা ছিলেন ক্রীড়াঙ্গনে সর্বজন শ্রদ্ধেয়, প্রশংসিত। বাবার অবস্থানে নিজেকে দেখার চিন্তা নেই ফাহিমের। বলেছেন, ‘আমার বাবা তো একজন বড়মাপের মানুষ। তার সঙ্গে নিজেকে তুলনা আমি কখনোই করব না। তার কাছে থেকে অনেক কিছু শিখেছি।’
নির্বাচনি সমীকরণ মেলাতে ভোটের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চান ফাহিম। বিসিবিতে আসলে খালেদ মাহমুদ সুজনের কাছে কাজ শেখার ইচ্ছা তার। বলেছেন, ‘সুজন ভাইয়ের সঙ্গে কাজ শেখার ইচ্ছা আছে। তার কাজ করার ধরন আমার ভালো লাগে। নির্বাচিত হলে যে দায়িত্ব পাব, সেটাই আগে পালন করব।’