এনটিআরসিএ’র দ্বিতীয় ধাপের শিক্ষক নিয়োগে শূন্যপদের ভুল তথ্য দেয়ায় রাজশাহীর ৫টি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের তিনমাসের এমপিও কেটে রাখার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।
সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরকে দায়ীদের এমপিও কেটে রাখার নির্দেশনা দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।
স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা হলেন, গোদাগাড়ীর রাজাবাড়ী হাট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান, রাজশাহী কোর্ট একাডেমির প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, বাগমারা বাগন্না উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরহাদ আলী, একই উপজেলার বাইগাছা বহুমূখী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মকবুল হোসেন প্রামানিক ও শহীদ মামুন মাহমুদ পুলিশ লাইন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম মাওলা।
জানা গেছে, শিক্ষক পদে নিয়োগের সুপারিশ পেয়েও মহিলা কোটা, নবসৃষ্ট পদে নিয়োগ, প্যাটার্ন জটিলতাসহ নানা সমস্যায় কয়েক হাজার প্রার্থী যোগদান ও এমপিওভুক্ত হতে জটিলতায় পড়েন। এসব জটিলতার মূলে ছিলেন ভুল তথ্য পাঠানো প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের তথ্যে দেখা যায়, ২০১৮ সালের ১২ জুন জারিকৃত এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামোতে কিছু নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছিল। বিধান ছিল, এসব পদে নিয়োগে মন্ত্রণালয় আলাদা আদেশ জারি করবে। এ পদগুলো নবসৃষ্ট পদ নামে বহুল পরিচিত। এসব প্রতিষ্ঠান প্রধান আদেশ জারির আগেই ২য় ধাপের শিক্ষক নিয়োগের চাহিদা হিসেবে ওই পদগুলো শূন্য দেখিয়েছিলেন। ফলে, সুপারিশ পাওয়া প্রার্থীরা এমপিওভুক্ত হতে পারছিলেন না।
এর আগে রাজশাহীর তানোরের কলমা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কালাম আজাদের তিনমাসের এমপিও কেটে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়।
ইত্তেফাক/ইআ/এনঅ