গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় সুমি বেগম নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় পৌর শহরের ৭ নং ওয়ার্ডে সুমি বেগমের শ্বশুর বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, সুমির ৭/৮ মাস আগে পৌর শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের সাবেক পৌর কমিশনার নূরে আলমের ছেলে মেহেদী হাসান মুন্নার সাথে কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের নতুন দুলাল ভরট গ্রামের শামছুল হকের মেয়ে সুমি বেগমের সম্পর্ক করে বিয়ে হয়। গত শনিবার সন্ধ্যায় সুমি বেগমকে তার শ্বশুর বাড়ির উত্তর দুয়ারী শয়ন ঘরে পড়ে থাকতে দেখে বাড়ির লোকজন। পরে সুমির স্বামী ও শ্বশুর সুন্দরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু বলে ঘোষণা করেন।
বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে স্বামী, শাশুড়ি ও শ্বশুর সুমিকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে তার বাবা শামছুল হক দাবি করে বাদী হয়ে স্বামীসহ ৩ জনকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় এজাহার দায়ের করেছেন। পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন।
এ নিয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ এসএম আব্দুস সোবহান জানান, লাশের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না।
ইত্তেফাক/বিএএফ