গহনা হিসেবে আংটির জনপ্রিয়তা বিশ্বজোড়া। একইসঙ্গে এটি সম্মান ও আধ্যাত্মিকতার প্রতিনিধি। প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সভ্যতায় শুধু বিশিষ্ট নাগরিকরাই আংটি পরতে পারতেন। অনেক সংস্কৃতিতে এটি জাদুবিদ্যার আধার। আংটির সঙ্গে উপযুক্ত পাথর ব্যবহার করলে ভাগ্যপরিবর্তন, সমস্যা সমাধানের পথ খুলে যায় বলে অনেকে বিশ্বাস করেন।
হাতের অনামিকা এবং মধ্যমা আঙ্গুল আংটি ব্যবহারের উপযুক্ত স্থান বলে বিবেচনা করা হয়। আধুনিক কালে বিয়ের সময় বা তার আগে আংটি বিনিময় প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষের সম্পর্কের উন্নয়ন, সৌহার্দ প্রকাশের মাধ্যম হলো আংটি।
আমির খসরু সেলিম