আমানতের টাকা না পেয়ে হাইকোর্টে ন্যাশনাল ব্যাংকের ৪ গ্রাহক

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩:৫৫

নিজেদের ব্যাংক হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ থাকা সত্ত্বেও চেকের বিপরীতে টাকা উত্তোলন করতে না পেরে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির চার আমানতকারী হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন।

তাদের দাবি, গত ১৭ সেপ্টেম্বর নিজ নিজ শাখায় চেক জমা দিলেও কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেক প্রক্রিয়াজাত করেনি এবং অর্থ পরিশোধে অস্বীকৃতি জানায়। পরে প্রতিকার চেয়ে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন তারা। রিটটির নম্বর ১৩৬৬৮/২০২৬।

রিটে আবেদন করা হয়েছে, বৈধভাবে ব্যাংকে থাকা আমানতের অর্থ উত্তোলনের সুযোগ দিতে ব্যর্থ হওয়াকে কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না—সে মর্মে রুল জারি করতে।

রিট আবেদন সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহের ভালুকা শাখার গ্রাহক মো. শামীম আহমেদ ২ লাখ ২০ হাজার টাকার একটি চেক (নম্বর ৪৮৭১৬৮৪) জমা দিয়েও টাকা পাননি। একই দিন টাঙ্গাইলের মির্জাপুর এসএমই শাখার গ্রাহক নাসিমা বেগম ৩০ হাজার টাকার চেক (নম্বর NSB-K ৭২৩৬৪৩২) জমা দিয়েও অর্থ উত্তোলন করতে পারেননি।

এ ছাড়া মির্জাপুর এসএমই কৃষি শাখার গ্রাহক লাকি আক্তার এবং মির্জাপুর শাখার গ্রাহক মোছা. সাথী বেগমও একই ধরনের ভোগান্তির শিকার হন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবেদনকারীদের দাবি, ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিকার না পেয়ে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষা কেন্দ্র এবং আর্থিক সততা ও গ্রাহকসেবা বিভাগে ই-মেইলের মাধ্যমে লিখিত অভিযোগ করেন। তবে সেখান থেকেও কোনো কার্যকর বা তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ পাননি।

পরে দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে নিজেদের সঞ্চয়ের অর্থ উত্তোলনের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবিতে তারা হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।

মামলায় চার আবেদনকারীর পক্ষে মো. শামীম আহমেদকে আমমোক্তার (ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি) করা হয়েছে। রিটটি পরিচালনা করছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মারুফ উল আবেদ।

ইত্তেফাক/এএইচপি