বন্ধ ঘরে ঝুলছিল নারী চিকিত্সকের লাশ

রাজধানীর নিকুঞ্জ-২-এ মাহফুজা আক্তার (২৫) নামে এক নারী চিকিত্সকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার রাতে তার মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

চিকিত্সক মাহফুজা আক্তারের রুমমেট রুম্পা রানী বলেন, ‘শনিবার ডা. মাহফুজার প্রেমিক আমাকে ফোন দিয়ে বলে, তার সাথে আমার ঝগড়া হয়েছে। একটু গিয়ে দেখেন কী অবস্থায় আছে সে। আমি গেলাম, বারবার দরজা নক করলেও সে দরজা খোলে না। এরপর তার প্রেমিক আমাকে আবার ফোন দিয়ে বলে, সে বলেছে গলায় ফাঁস দেবে। পরে আমি আবার গিয়ে তাকে ডাকাডাকি করি এবং ফোন করি। আমি বাইরে থেকে শুনতে পাচ্ছিলাম তার ফোন বেজে যাচ্ছে, কিন্তু সে ধরছে না। এরপর আমি হোস্টেল সুপারকে ডেকে আনি। দরজা না খোলায় ভেঙে দেখা যায় সে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে। পরে আমরা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশকে বিস্তারিত সবকিছু দিয়েছি। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।’

এদিকে ডা. মাহফুজার বাবা নূর মোহাম্মদ খান জানান, তার মেয়ের হঠাত্ বুকে ব্যথা হয়। পাশের রুমমেটকে বলে তার বুকে ব্যথা। পরে পানি খেয়ে শুয়ে পড়লে আর দরজা খোলে না। পরে তারা তাকে মৃত অবস্থায় পান। গলায় ফাঁস দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খিলক্ষেত থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাবরিনা রহমান মৌরী বলেন, ঐ চিকিত্সক ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেছেন। একটি পোশাক কারখানায় চিকিত্সক হিসেবে চাকরি করছিলেন, পাশাপাশি এফসিপিএস পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তার অন্য কোনো সমস্যা ছিল না বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।