চাটমোহরে নিত্যপণ্যের বাড়তি দাম

চাটমোহর (পাবনা) সংবাদদাতা

পাবনার চাটমোহরে বেড়েই চলেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর দাম। বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে শীতকালীন শাক-সবজি। উচ্চমূল্যের কারণে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে। সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। চাটমোহরের হাটবাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, মাংস, ডিম, সয়াবিন তেল, চিনি, আটা, শীতকালীন সবজিসহ অন্যান্য দ্রব্যসামগ্রীর দাম বেড়েছে।

সোমবার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পেঁয়াজের দাম আরেক দফা বেড়ে প্রতি কেজি ৬৫ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কয়েক দিন আগেও প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১২০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দাম ১৮০ থেকে বেড়ে পৌঁছেছে ২৯০ টাকায়। কিছুদিন আগে যে দেশি মুরগির দাম ছিল ৩৫০ টাকা, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০০ টাকায়। এক মাসের ব্যবধানে লেয়ার মুরগির দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ২০ টাকা।

বর্তমান খুচরা বাজারে ভালো মানের প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৬৫ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৬০, শিম ৮০, বেগুন ৬০, মিষ্টি কুমড়া ২৫, মুলা ৩০, শাক ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাসখানেকের ব্যবধানে চিনি, সয়াবিন, রুলার আটা, গমের আটা, মসুরের ডালের দাম বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি চিনি ৮০ টাকা, রুলার ময়দা ৪৮, গমের আটা ৩৫, ভাল মানের মসুরের ডাল ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। ডিম বিক্রেতারা জানান, প্রতি হালি মুরগির ডিম ৩৫ টাকায় এবং হাঁসের ডিম ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মাছ বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।

ব্যবসায়ীরা জানান, সরবরাহের ওপর নির্ভর করে দাম কমে বা বৃদ্ধি পায়।  এখন সরবরাহ কম থাকায় বেশি দামে কিনে সেভাবেই বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে কিছুদিনের মধ্যেই শাক-সবজির দাম কমে যাবে বলে তারা জানান। চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সৈকত ইসলাম বলেন, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ালে বাজার মনিটরিং করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।