পরমাণু সাবমেরিন সংক্রান্ত তথ্য পাচারের অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্রে দুই জনকে গ্রেফতার করল এফবিআই

বিদেশি ক্রেতা সেজে দুই তথ্য পাচারকারীকে হাতেনাতে ধরে ফেলল এফবিআই। নিউক্লিয়ার সাবমেরিনের নথি পাচার করছিল তারা। গুপ্ত অপারেশন চালিয়ে এক ইঞ্জিনিয়ার এবং তার স্ত্রীকে ধরেছে এফবিআই। ২০২০ সাল থেকে ঐ দুই ব্যক্তির সঙ্গে ছদ্মবেশে কথা বলছিল এফবিআই। বিদেশি ক্রেতা সেজে তাদের কাছ থেকে মার্কিন নিউক্লিয়ার সাবমেরিন-সংক্রান্ত বেশকিছু নথি চড়া দামে কিনেছে তারা। খবর ডয়চেভেলের

মার্কিন নৌবাহিনী নিউক্লিয়ার সাবমেরিন তৈরি করছে। গোপনীয়তা বজায় রেখে সেই কাজ করছে তারা। সেখানেই কাজ করতেন এই পরমাণু ইঞ্জিনিয়ার। তার চাকরির অন্যতম শর্তই হলো, ভিতরের তথ্য বাইরে প্রকাশ করা যাবে না। কিন্তু অর্থের লোভে সেই ফাঁদেই পা দিয়ে বসেন ঐ পরমাণু ইঞ্জিনিয়ার এবং তার স্ত্রী।

২০২০ সালের পহেলা এপ্রিল এফবিআইয়ের সন্দেহ হয় যে, ঐ ব্যক্তি তথ্য পাচারের চেষ্টা চালাচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে এফবিআই একটি দল তৈরি করে। বিদেশি ক্রেতা সেজে ঐ দম্পতির সঙ্গে যোগাযোগ করে তারা। ইঞ্জিনিয়ার তথ্য পাচারে রাজি হয়ে যান। অভিযোগ, পরমাণু সাবমেরিনের ডিজাইনের কিছু তথ্য একটি চিপে তুলে নিয়ে পাউরুটির ভেতরে পিনাট স্প্রেডের সঙ্গে লাগিয়ে বাইরে নিয়ে আসেন ঐ ইঞ্জিনিয়ার। তারপর তা ৩০ হাজার ডলারের বিনিময়ে বিক্রি করে দেওয়া হয়। এর কিছু দিন পর আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুইংগামের প্যাকেটে ভরে বাইরে নিয়ে আসেন তিনি। ৭০ হাজার ডলারে তা বিক্রি করেন। ঐ দুই ঘটনার প্রমাণ পাওয়ার পর আর দেরি করেনি এফবিআই। রবিবার তাকে এবং তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। আজ মঙ্গলবার তাদের আদালতে তোলা হবে।