ডিএমপির ৪৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আজ

পৌনে দুই কোটি মানুষের মেগাসিটি ঢাকাতে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত আছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ৩৬ হাজার পুলিশ। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ঘনবসতিপূর্ণ এই মেগাসিটিতে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সংখ্যা অনেক কম। অতিরিক্ত ডিউটি পালন আর চিকিত্সা ও আবাসিক সুবিধা বঞ্চিত হওয়ার কারণে বেশিরভাগ পুলিশই মানসিকভাবে হতাশ। একটি মেগাসিটিতে বসবাসের জন্য পুলিশের বিশেষ করে কনস্টেবল পর্যায়ের সদস্যদের ন্যূনতম সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হয় না বলে এদের কাছ থেকে জনগণ তেমন কোন সেবা পায় না। ডিএমপি’র সদস্যদের এ ধরনের নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে আজ উদযাপিত হচ্ছে ৪৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। দিবসটি উপলক্ষে আজ বিকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে এই নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁনসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

১৯৭৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ১২টি থানা নিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যাত্রা শুরু হয়। নাগরিক জীবনে পুলিশের আধুনিক সেবা দেয়ার পরিকল্পনা নিয়ে ডিএমপি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে ডিএমপিতে ৫০টি থানাসহ এতে সাড়ে ৩৬ হাজার পুলিশ কর্মরত রয়েছেন।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, ডিএমপি বাংলাদেশ পুলিশের একটি বৃহত্ ইউনিট। গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি মানুষের মৌলিক অধিকার সমুন্নত রাখতে পুলিশকে জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিএমপির সদস্যগণ দুর্নীতিমুক্ত থেকে মানবিক মূল্যবোধ, দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সমন্বয় ঘটিয়ে সরকারের রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নে আরো কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন এবং জনগণের সেবক হয়ে কাজ করবেন।