আগামী নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো, লন্ডন ও ফ্রান্সের প্যারিস সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন কপ-২৬-এ যোগদানের জন্য ১ থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত গ্লাসগোতে অবস্থান করবেন তিনি। এরপর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের জন্য লন্ডনে যাবেন। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী প্যারিসে যাবেন ইউনেস্কো থেকে ‘বঙ্গবন্ধু ক্রিয়েটিভ পুরস্কার’ প্রদানের জন্য। গতকাল বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কপ-২৬ শীর্ষ বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য ৩১ অক্টোবর গ্লাসগোর উদ্দেশে রওনা হবেন। তিনি সেখানে ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) প্রেসিডেন্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়া সাইডলাইনে কপ-২৬ সিভিএফের একটি বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা আছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেখান থেকে তিনি লন্ডনে যাবেন। যুক্তরাজ্য দুই দেশের শীর্ষ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি গ্লাসগোতে করতে চাইছে, কিন্তু আমরা চাই এটি লন্ডনে হোক। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা বলেছি, এটি লন্ডনে হলে ভালো হয়। ইউনেস্কো কর্তৃক প্রদেয় বঙ্গবন্ধু পুরস্কার দেওয়ার জন্য লন্ডন থেকে সরাসরি প্যারিসে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা চাই এই পুরস্কার প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে দিক।
এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, জার্মানি থেকে ৮৬০ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফিরে আসতে হচ্ছে। ইউরোপে অবৈধভাবে অবস্থান করা প্রবাসীদের ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়ার অংশ এটি। এ সময় তিনি আরো জানান, রোমানিয়া ও সার্বিয়ায় শ্রমবাজার সম্প্রসারিত করতে চায় সরকার। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের কিছু কর্মী দেশ দুটিতে গেছে এবং আরো কিছু শ্রমিক যাওয়ার অপেক্ষায় আছে। তবে ইউরোপের দেশ দুটি সরকারিভাবে জনশক্তি পাঠানোর জন্য আগ্রহী বাংলাদেশ।
মন্ত্রী বলেন, রোমানিয়ায় এখন প্রায় ৪০ হাজার শ্রমিক প্রয়োজন। আমার সঙ্গে রোমানিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আলাপ হয়েছে। তিনি আমাকে জানিয়েছেন, দিল্লিতে তাদের মিশন থেকে একটি কনস্যুলার দল ঢাকায় এসে ভিসা দেবে।
সার্বিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য একটি চুক্তির প্রয়োজন হবে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারিভাবে লোক নিতে আগ্রহী দেশটি।