জাতীয় জাদুঘরে ‘সুইজারল্যান্ড কর্নার’

বঙ্গবন্ধু লোকশিল্প ও লোকগান প্রদর্শনী 

ইত্তেফাক রিপোর্ট

জাতীয় জাদুঘরে উদ্বোধন হলো ‘সুইজারল্যান্ড কর্নার’। গ্যালারি ঘুরে দেখা যায়, বিশ্বসভ্যতা অংশে সুইজারল্যান্ড কর্নারে মাল্টিমিডিয়াসহ ১০০টিরও বেশি সুইস প্রদর্শনী রয়েছে। স্থায়ী এই প্রদর্শনীটি জাদুঘরের দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত। গ্যালারিতে সুইস আইকনিক দৃশ্য, প্রকৃতির কাছে ফিরে যাওয়া, রন্ধন ঐতিহ্য, আমাদের সহবাসীরা, নকশার ঐতিহ্য, সুইস টেক্সটাইল শিল্প, সুইজারল্যান্ডের অনুপ্রেরণা, গরুর ঘণ্টা বাজানো, সুইজারল্যান্ড ও বাংলাদেশ, সুইস ভাষাসহ বিভিন্ন বিষয় স্থান পেয়েছে। আয়োজকরা জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে দেশটির দীর্ঘস্থায়ী এবং বিস্তৃত অংশীদারিত্বের পরিচয় তুলে ধরার পাশাপাশি একটি গতিশীল ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে সুইজারল্যান্ডের মূল্যবোধ ও অনন্য বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দেবে এই গ্যালারি। দর্শনার্থীরা দেশটির উদ্ভাবনী উত্কর্ষতা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে যেমন জানতে পারবে, তেমনি টেকসই উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একটি দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক নানা বিষয়ে সুইজারল্যান্ডের সক্রিয় ভূমিকা সম্পর্কেও সম্যক ধারণা পাবেন।

গতকাল জাতীয় জাদুঘরের বিশ্বসভ্যতা গ্যালারিতে নতুনভাবে সাজানো ‘সুইজারল্যান্ড কর্নার’-এর উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি শিউআর্ড। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান ও বেসরকারি সংগঠন ‘ফ্রেন্ডশিপ’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক রুনা খান। উপস্থিত ছিলেন জাদুঘরের সচিব গাজী ওয়ালিউর রহমান। রাষ্ট্রদূত শিউআর্ড বলেন, জাতীয় জাদুঘরে সুইস কর্নার বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ডের ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের একটি অনন্য মাইলফলক। এ সময় তিনি সুইজারল্যান্ড সম্পর্কে আরো জানতে সবাইকে পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে এই কর্নার ঘুরে দেখার আমন্ত্রণ জানান। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে শিল্প ও সংস্কৃতিসহ সবক্ষেত্রে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অধিক সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

এদিকে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ পরে জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী প্রদর্শনী গ্যালারিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাদুঘর আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু লোকশিল্প ও লোকগান প্রদর্শনী’-এর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘লোকগানে বঙ্গবন্ধু’ শিরোনামে সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।