জনতা ব্যাংকের যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালির এক্সচেঞ্জ হাউজ বন্ধের সুপারিশ

লোকসানে থাকায় রাষ্ট্রীয় মালিকানার জনতা ব্যাংকের যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালির এক্সচেঞ্জ শাখা বন্ধের সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের বাত্সরিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে  এ সুপারিশ করা হয়। এমওইউর বৈঠকে খেলাপি কমানোর পাশাপাশি লোকসানি শাখাও কমিয়ে আনতে বিশেষ নির্দেশনা দেন গভর্নর ফজলে কবির। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর, নির্বাহী পরিচালক, পর্যবেক্ষক, চার ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বিষয়ে জনতা ব্যাংকের এমডি এবং সিইও মো. আব্দুছ ছালাম আজাদ গতকাল ইত্তেফাককে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক এক্সচেঞ্জ হাউজ লোকসানে ছিল। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে আলোচনা হয়েছে। ইতিমধ্যেই এটা বন্ধ করে করে দেওয়া হয়েছে। এ জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে। আর ইতালির এক্সচেঞ্জ হাউজ বন্ধের বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বরং এ শাখাকে কীভাবে আরো ভালো করা যায় সে বিষয়ে প্রচেষ্টা চলছে। সেখানকার দূতাবাসও চাচ্ছে যে এক্সচেঞ্জ হাউজটি থাকুক। এ জন্য ঐ এক্সচেঞ্জ হাউজকে আরো ভালোভাবে পরিচালনা করার জন্য সব পক্ষের সহযোগিতা দরকার বলে তিনি মনে করেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, জনতা ব্যাংকের এক্সচেঞ্জ হাউজ বন্ধের বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। দুটি দেশে জনতা ব্যাংকের এক্সচেঞ্জ হাউস কেন লোকসান করছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জনতা ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর কার্যক্রম শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে জনতা এক্সচেঞ্জ কোম্পানি। এটি জেইসিআই, ইউএসএ নামে পরিচিত। আর ২০০২ সালের জানুয়ারিতে নিবন্ধিত হয় ইতালির জনতা এক্সচেঞ্জ। ঐ বছরের জুন থেকে এর কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিষ্ঠানটির রোম ও মিলানে দুটি শাখা রয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছ থেকে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করে দেশে পাঠানোই এ এক্সচেঞ্জ হাউসের মূল কাজ।