ফুল দেখতে বোতল পরিষ্কার করার ব্রাশের মতো বলে এর নাম ‘বোতল ব্রাশ’। ৫০ থেকে ১৫০ বছর দীর্ঘায়ুর এ গাছ লম্বায় ১৫ থেকে ২০ ফুট পর্যন্ত হয়। বাংলাদেশে মূলত শৌখিন বৃক্ষ হিসেবেই এর পরিচিতি। শোভাবর্ধনের বৃক্ষ হিসাবে রাস্তার ধারে, পার্কে বা টিলায় এই গাছ রোপণ করা হয়।
গাছের সরু ডালের আগায় গুচ্ছবদ্ধভাবে ফুল ফোটে। প্রতিটি একক ফুলে পুরুষ ও মহিলা অংশ থাকে। এ ফুলের সঙ্গে পাতায়ও হালকা মিষ্টি একটা সুগন্ধ রয়েছে। সারা বছর কমবেশি ফুল ফুটলেও সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফুল ফোটে। সাধারণত ফুল লাল রঙের হয়। ফুল শেষে ছোট আকৃতির ফল হয়। ফলে অসংখ্য বীজ থাকে। এ বীজ থেকে চারা হয়। অনেক পাখিই এই ফল খায়। এই ফুলের রেণু বাতাসে ভেসে বেড়ায়, যা অ্যাজমা রোগীদের হাঁচি-কাশি বাড়িয়ে দেয়।
রেদোয়ান হোসেন