গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ‘জাফরুল্লাহকে ধইরো না, জেলখানায় মারা যেতে পারে। সেজন্যই হয়তো ধরে না। তার বিরুদ্ধে মাছ চুরির মামলা দাও। কোর্টে দাঁড়িয়ে থাকুক ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ওটা কিন্তু জেলে যাবার চাইতেও খারাপ। আমি হাঁটতে পারি না, প্রতিদিন কোর্টের দরজায় চার ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। আমাকে তারা জেলে যাওয়ার চাইতে বেশি কষ্ট দিয়েছে। এর একটি মাত্র কারণ আমি সত্য কথা বলেছি, আমি ন্যায়ের কথা বলেছি।’ পীরগঞ্জ ও কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপ, মন্দির এবং হিন্দুদের ঘরবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের বীরউত্তম মেজর হায়দার মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘সরকার প্রতিদিন ওয়াজ মাহফিল করে। ওয়াজ মাহফিলের কথা একটাই কোনো কিছু করলে কেউ রেহাই পাবে না। কিন্তু আমরা যদি বিগত ইতিহাসগুলো দেখি নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সবচেয়ে বড় যে ঘটনা গাইবান্ধায় প্রশাসন মেয়েদের ফুটবল খেলতে দেয়নি। আহমাদিয়াদের ঘরের ভেতরে মিটিং করতে দেয়নি। এসব বিষয়ে সরকারের কোনো বক্তব্য নাই। ওয়াজ মাহফিলের কথা একটাই—কঠিন শাস্তি দিব, কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না। এসব বলে পুলিশের আয়ের ব্যবস্থা করে দিয়েছে। অর্থাত্ যাকে পারো তাকে ধরো।’
সংবাদ সম্মেলনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলাগুলো সংগঠিত ও পরিকল্পিত। এর ফলে সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। অবিলম্বে এই হামলাগুলো বন্ধ করতে হবে।