অধিকাংশ যাত্রীছাউনির অবস্থা শোচনীয়

ঢাকা শহরের বেশির ভাগ যাত্রীছাউনি পরিণত হয়েছে ভাসমান ও ছিন্নমূল মানুষের থাকার জায়গায়। অনেক যাত্রীছাউনির পাশে স্থাপন করা হয়েছিল পাবলিক টয়লেট। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এই টয়লেটগুলো ময়লায় পরিপূর্ণ হয়ে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। সন্ধ্যার পর মাদকসেবীদের আনাগোনা বাড়তে থাকে যাত্রীছাউনিগুলোতে। আবার কিছু যাত্রীছাউনিতে রোদ কিংবা বৃষ্টিতে রক্ষার ছাদ ভেঙে যাওয়ায় ও বসার জায়গাগুলোতে ধুলাবালি জমে থাকায় পথচারীরা পড়ছেন বিপাকে। অনেক যাত্রীছাউনি নির্মাণের কিছুদিন পরই এর বিভিন্ন অংশ খুলে বিক্রি করে টোকাইরা। রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে দেড় শতাধিক যাত্রীছাউনি রয়েছে। যেগুলোর মধ্যে সিটি করপোশনের রয়েছে প্রায় ১০০টির মতো এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা অন্য কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তৈরি করা যাত্রীছাউনি রয়েছে ৫০টিরও বেশি। এসব যাত্রীছাউনি অধিকাংশ এখন বাস কাউন্টারে বা ভাসমান দোকানে পরিণত হওয়ায় যাত্রীরা তা ব্যবহার থেকে বঞ্চিত। যাত্রীছাউনিগুলোতে বিশুদ্ধ খাবার পানি ও মোবাইল ফোন চার্জের ব্যবস্থা করার কথা থাকলেও বাস্তবে তার কিছুই হয়নি। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় যাত্রীছাউনিগুলো থেকে একরকম মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন সবাই। তাই যাত্রীছাউনিগুলো সংস্কার ও প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ করা এখন সময়ের দাবি।

মো. সৈয়দুর রহমান

শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ