মহারণের আগে দুর্দান্ত ফর্মে আছে ভারত

স্পোর্টস ডেস্ক

দমনের আনাচেকানাচে ক্রমশই বাড়ছে উত্তেজনা। প্রতিপক্ষ পাকিস্তান বলে কথা। এই লড়াইয়ের পরতে পরতে               লুকিয়ে নানা সমীকরণ। শুধু ব্যাট-বলের যুদ্ধ নয়। দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কাছে এটা এক মর্যাদার লড়াইও বটে। তাই কোটি কোটি সমর্থকদের বিপুল প্রত্যাশার চাপ নিয়েই মাঠে নামতে হবে বিরাট কোহলি-বাবর আজমদের। সত্যিই কি চাপে রয়েছেন ভারত অধিনায়ক? ভক্তদের উদ্দেশে অভিনব পন্থায়  উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করলেন বিরাট। একটি সাদা টি-শার্ট পরে তোলা ছবি তিনি পোস্ট করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। সঙ্গে ছুড়ে দিয়েছেন প্রশ্ন, ‘রবিবার বড় ম্যাচ, আপনারা কি নার্ভাস?’ উত্তর যেন লুকিয়ে তার চনমনে অভিব্যক্তিতে। এক ঢিলে দুই পাখি মারার চেষ্টা করেছেন ক্যাপ্টেন কোহলি। সুযোগ বুঝে ব্র্যান্ড অ্যামবাস্যাডর হিসেবে বহুজাতিক সংস্থার প্রচারও সেরে নিয়েছেন তিনি বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।  আক্ষরিক অর্থে বিরাট সত্যিই চাপমুক্ত। কারণ, টি-২০-এর নেতৃত্বভার ছাড়ার সিদ্ধান্ত তিনি আগেই  ঘোষণা করেছেন। খুদে কন্যার সঙ্গে সুন্দর মুহূর্ত উপভোগ করছেন মাঠের বাইরে। আবার ২২ গজে তিনি অন্য মেজাজে। গত পরশু রোহিত শর্মার নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে বল করতেও  দেখা গিয়েছে তাকে। তবে তার অনুরাগীদের প্রার্থনা, বিশ্বকাপের মঞ্চে বিরাটের ব্যাটে যেন রানের ফুলঝুড়ি দেখা যায়।

টি-২০ বিশ্বকাপের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে, সর্বকালের সেরা পাঁচ ব্যাটসম্যানের   মধ্যে রয়েছেন কোহলি। ১৬টি ম্যাচ খেলে করেছেন ৭৭৭ রান। তার মধ্যে রয়েছে                      ৯টি অর্ধশতরানের ইনিংসও। তাই এবারের মেগা টুর্নামেন্টেও ভারতের ভাগ্যবিধাতা            হয়ে উঠতে পারেন কোহলিই। ছন্দে আছেন রোহিত শর্মাও। কোচ রবি শাস্ত্রী হয়তো প্রথম ম্যাচের দল গুছিয়ে নিয়েছেন। কিন্তু মিডল অর্ডার নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।    দুরন্ত ছন্দে থাকা ঈশান কিষান না সূর্যকুমার যাদব? নাকি হার্দিক পান্ডিয়ার ওপরই ভরসা রাখবে কোহলি ব্রিগেড? অশ্বিনের ফর্ম কি যাবতীয় হিসেব উলটে দেবে? প্রশ্নগুলোর উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হবে আরো কয়েক ঘণ্টা। ভারতের কাছে প্রস্তুতি ম্যাচে হেরেও কোহলিদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ অজি তারকা স্টিভ স্মিথ। তিনি বলেছেন,‘দুর্দান্ত ফর্মে আছে টিম ইন্ডিয়া। সব বিভাগেই অস্ত্র মজুত। ম্যাচ উইনারের সংখ্যাও  বেশি। এই দল নিয়ে বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন দেখতেই পারেন ভারতীয় সমর্থকরা। আসলে আইপিএল খেলার সুবাদে স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সুন্দর মানিয়ে নিয়েছে বিরাটরা।’