প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা

ব্রিটিশ শাসন

 

৩. বাংলায় শিক্ষা ও অর্থনীতিতে ব্রিটিশদের প্রভাব পাঁচটি বাক্যে লেখ।           

উত্তর : বাংলার শিক্ষা ও অর্থনীতিতে ব্রিটিশদের প্রভাব নিচে পাঁচটি বাক্যে লেখা হলো—

ক.ইংরেজদের মাধ্যমে এদেশে ইংরেজি শিক্ষার প্রচলন হয়।

খ.শিক্ষা বিস্তারের জন্য স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

গ. আধুনিক ও ইংরেজি শিক্ষার ফলে এদেশে ক্রমে একটা ইংরেজি শিক্ষিত শ্রেণি গড়ে ওঠে।

ঘ. বাংলার অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড কৃষি ও এক কালের তাঁতশিল্প প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়।

ঙ. বাংলার শিল্প, বাণিজ্য নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

৪. ১৮৫৮ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত বাংলাসহ ভারতে এক ধরনের শাসন বিদ্যমান ছিল। এখানে কোন শাসনের কথা বলা হয়েছে? বাংলায় উক্ত শাসনের প্রভাব চারটি বাক্যে লেখ।

উত্তর : ব্রিটিশ শাসনের কথা বলা হয়েছে।

বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের চারটি প্রভাব—

ক. ‘ভাগ কর শাসন কর’ নীতির ফলে এদেশের মানুষের মধ্যে ধর্ম, বর্ণ, জাতি এবং অঞ্চলভেদে বিভেদ সৃষ্টি হয়।

খ. অনেক কারিগর বেকার ও অনেক কৃষক গরিব হয়ে যায় এবং বাংলায় দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়।

গ.নতুন নতুন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও ছাপাখানা প্রতিষ্ঠার ফলে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি হয়।

ঘ.সড়কপথ ও রেলপথ উন্নয়ন এবং টেলিগ্রাফ প্রচলনের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থার বিশেষ উন্নতি হয়।

৫. ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পাঁচটি গুরুত্ব বর্ণনা কর।

উত্তর : ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহ বিভিন্ন কারণে আমাদের নিকট গুরত্বপূর্ণ। নিম্নে সিপাহি বিদ্রোহের পাঁচটি গুরুত্ব বর্ণনা করা হলো—

ক.সিপাহি বিদ্রোহ ছিল প্রথম ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রাম।

খ. এই বিদ্রোহের ফলে ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিবাদ গড়ে ওঠে।

গ.যার ফলে ভারতীয় উপমহাদেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে।

ঘ.ব্রিটিশ মহারানী ভিক্টোরিয়া সরাসরি ক্ষমতা পরিচালনার দার্িয়ত্ব নেন।

ঙ.সিপাহি বিদ্রোহের প্রভাব পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন আন্দোলনে লক্ষ করা যায়।

৬. ১৮৫৭ সালে সংঘটিত একটি বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে বাহাদুর শাহ পার্কে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়েছে। বিদ্রোহটির নাম কী? কার নেতৃত্বে এই বিদ্রোহ শুরু হয়? উক্ত বিদ্রোহটির তিনটি কারণ লেখ।

উত্তর : বিদ্রোহটির নাম সিপাহি বিদ্রোহ।

মঙ্গল পাণ্ডের নেতৃত্বে সিপাহি বিদ্রোহ শুরু হয়।

সিপাহি বিদ্রোহের তিনটি কারণ—

১.সেনাবাহিনীতে সিপাহি পদে ভারতীয়দের সংখ্যাধিক্য ছিল।

২.ভারতের বিভিন্ন এলাকার সৈন্যদের মধ্যে সামাজিক বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল।

৩.১৮৫৬ সালের পর ভারতের বাইরেও সৈন্যদের কাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।