প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিও। ভালো ফলাফলের জন্য জ্ঞান ও অনুধাবনের প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই তোমাদের জন্য অধ্যায় ভিত্তিক জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও তার উত্তর এখন থেকে নিয়মিত প্রকাশিত হবে। আজকে ২য় অধ্যায় ( জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি) প্রকাশিত হলো। আশাকরি তোমরা উপকৃত হবে।
ক. কোষ বিভাজন কাকে বলে?
উত্তর : যে পদ্ধতিতে একটি মাতৃকোষ বিভাজিত হয়ে অপত্য কোষের সৃষ্টি হয় তাকে কোষ বিভাজন বলে।
খ. ক্যারিওকাইনেসিস এবং সাইটোকাইনেসিসের ব্যাখ্যা দাও।
উত্তর : আমরা জানি, মাইটোসিস কোষ বিভাজন একটি ধারাবাহিক পদ্ধতি। মাইটোসিস কোষ বিভাজনটি দুইটি পর্যায়ে সম্পন্ন হয়। প্রথম পর্যায়ে নিউক্লিয়াস এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে সাইটোপ্লাজমের বিভাজন হয়। নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ক্যারিওকাইনেসিস এবং সাইটোপ্লাজমের বিভাজনকে সাইটোকাইনেসিস বলে।
ক. মাইটোসিসকে কেন সমীকরণিক বিভাজন বলে?
উত্তর :মাইটোসিস কোষ বিভাজনে প্রতিটি ক্রোমোজোম লম্বালম্বিভাবে দু’ভাগে বিভক্ত হয়। ফলে সৃষ্ট নতুন কোষ দু’টিতে ক্রোমোজোমের সংখ্যা, গঠন ও গুণাগুণ মাতৃকোষের ক্রোমোজোমের সংখ্যা, গঠন ও গুণাগুণ এর সমান থাকে। তাই মাইটোসিস কোষ বিভাজনকে সমীকরণিক বিভাজন বলে।
খ. মাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ বিভাজনের মধ্যে পার্থক্য লেখ।
উত্তর : মাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ বিভাজনের পার্থক্য নিচে দেয়া হলো।
খ. জিন বলতে কী বোঝায়?
উত্তর :ক্রোমোজোমের প্রধান উপাদান DNA । সাধারণত ক্রোমোজোমের অণুগুলোই জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকৃত ধারক এবং বাহক। তাই বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী DNA এর অংশকে জিন নামে অভিহিত করা হয়। সুতরাং জিন হলো ক্রোমোজোমে অবস্থিত DNA । DNA অণু জিনের রাসায়নিক রূপ।
ক. অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন কাকে বলে?
উত্তর :যে কোষ বিভাজনে মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম সরাসরি বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি করে তাকে অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন বলে।