মিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন এক্সরে মেশিন একযুগ ধরে প্যাকেটবন্দি

মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোটি টাকা মূল্যের নতুন এক্সরে মেশিন এক যুগেরও বেশি সময় ধরে প্যাকেটজাত অবস্থায় স্টোর রুমে পড়ে আছে। দীর্ঘ দিনেও মেশিনটি জনস্বার্থে ব্যবহার করা হয়নি।

অন্যদিকে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালট্যান্ট কার্ডিওলজি ডা. বসির উদ্দিন ১৬ জুলাই ২০১৩ সালে যোগদান করেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আদেশে পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে অন্যত্র ডেপুটেশনে রয়েছেন। অথচ ডেপুটেশন আদেশের নিয়মানুসারে তিনি নিয়মিত বেতন ওঠানোর কাজটি সারেন মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকেই। ডা. বসির উদ্দিনের ডেপুটেশন থাকার গত পাঁচ বছরে হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সা নিতে আসা অসংখ্য রোগী মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ডা. বশির উদ্দিনের ডেপুটেশন আদেশ বাতিল কিংবা নতুন কোন কার্ডিওলজি চিকিত্সকের পোস্টিং দেয়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সেলিম হোসেন ফারাজী বলেন, আমি এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদানের অনেক আগেই এক্সরে মেশিনটি হাসপাতালে এসেছে। আমি আসার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে মেশিনটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে ইন্সটল করে দেওয়ার বারবার তাগাদা দিলেও তারা আসেননি।