পৃথিবীর দ্বিতীয় শীর্ষ যানজটের উপাধি পেয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। শুধু ঢাকাতেই যে যানজট ও বেপরোয়া গাড়ি চালানোর জন্য দুর্ঘটনা হচ্ছে তা কিন্তু নয়। ঢাকার বাইরের মহাসড়কগুলোতেও অনিয়ন্ত্রিত গাড়ি চালানোর ফলে প্রাণ হারাচ্ছে সাধারণ মানুষ। সব তো আর গণমাধ্যমে আসে না। প্রাণঘাতী মহাসড়কগুলোর মধ্যে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অন্যতম। এই মহাসড়কে দূরপালার বাস চলাচল করে। এই বাসগুলো ট্রাফিক আইন না মেনে জারি রেখেছে তাদের অসুস্থ প্রতিযোগিতা। গতিরোধক সাইনবোর্ড থাকা সত্ত্বেও সেটা অনুসরণ করা হচ্ছে না। বেপরোয়া গতির ফলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বেড়ে যাচ্ছে। বাসে অতিরিক্ত যাত্রী তোলা, জরাজীর্ণ রাস্তা, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, ট্রাফিক নিয়মাবলি অমান্য করা, ফুটপাতে দোকান, নির্মাণ-সামগ্রী রাস্তায় রাখা, সড়কে গবাদিপশুর অবাধ বিচরণ, নসিমন-পক্ষিরাজের দৌরাত্ম্য—মহাসড়কে এত এত সমস্যার পরও নিরাপদ সড়ক কি আমরা কল্পনা করতে পারি? তা বলা হয়তো সম্ভব নয়। তবে এ সমস্যার নিরসন করতে সবচেয়ে কার্যকর হলো সকলের সচেতনতা। তাই আমরা যদি ট্রাফিক আইন মেনে চলি তাহলেই সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব বলে মনে করি।
শাহরিয়ার কাসেম
শিক্ষার্থী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ