স্টাফ রিপোর্টার,বগুড়া
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেছেন, যারা নদীর জমি দখল করেছে, নদীর জমি দখলে যারা সহায়তা করেছে, নদীর জমি ব্যক্তির নামে যারা আরএস মাঠ পর্চা করে দিয়েছে তাদের কেউ ছাড় পাবে না। প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনতে হবে। নদীর তীর দখলকারিরা যাতে আদালতের শরণাপন্ন হয়ে দখলদারিত্ব দীর্ঘায়িত করতে না পারে সেই দিক লক্ষ্য রাখা হচ্ছে। তিনি নদী দখলকারীদের নাত্সী বাহিনীর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, নদী দখলকারিরা নাত্সী বাহিনীর মতো ঘৃণিত। তাদেরকে ঘৃণা করতে হবে।
তিনি গতকাল শনিবার বিকেলে বগুড়া সার্কিট হাউসে বগুড়ার নদী দখল, পানি দূষণ, অবস্থার পর্যালোচনা এবং উন্নয়ন শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন, বগুড়া জেলা নদী রক্ষা কমিটি ও নদী বাঁচাও বগুড়ার যৌথ আয়োজনে এবং বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি আরও বলেন, হাইকোর্ট যে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে তাতে দেশের মানুষ খুশি হয়েছে। নদীকে বাঁচানোর জন্য, নদীর প্রবাহকে বাঁচানোর জন্য এই রায় গুরুত্বপূর্ণ। নদী রক্ষা করার জন্য প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সকল নদী দখলকারীর তালিকা প্রস্তুত করার জন্য সকল জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন এমনভাবে তালিকা করতে হবে যাতে কেউ পার না পায়।
বগুড়ার জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মোঃ আলাউদ্দিন।