আনজাম মাসুদ। ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান নির্মাতা হিসেবেই তার পরিচয়ের ব্যাপ্তি। এর বাইরে বিজ্ঞাপন নির্মাণ, একাধিক সংগঠনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দীর্ঘকাল। কথা বলেছেন সাম্প্রতিক কাজ নিয়ে বিনোদন প্রতিদিনের সঙ্গে-
কেমন আছেন? নতুন বছরে পরিবর্তন অনুষ্ঠান নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কী?
ভালো আছি। পরিবর্তন ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের একটি আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়ে গেছে। তাই দর্শকদের প্রত্যাশার জায়গায় যাতে কোনো ঘাটতি না থাকে সেটাই চেষ্টা করি।
সম্প্রতি হাতিরঝিলে বর্ণাঢ্য সেটে আপনার উপস্থাপনায় পুলিশের একটি শো করলেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাই—
এটা আমার জন্য এক দারুণ অভিজ্ঞতা। এ কারণে বলছি, যে পুলিশদের নিজস্ব একটা শৃঙ্খলা থাকে। তাই পুরো আয়োজনে এটি এক বাড়তি নান্দনিকতা যোগ করেছে। এছাড়া আমি বলবো আয়োজনের ব্যাপারেও আমরা খুব সচেতন ছিলাম। এত বড় আয়োজনে এদেশে খুব কম অনুষ্ঠান হয়েছে।
ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন নির্মাণে আপনি দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত। এই মাধ্যমে কাজ প্রসঙ্গে বলুন—
বিজ্ঞাপনের ভাষা, প্যাটার্ন আরো বদলে যাবে। কারণ নাটক, সিনেমা, গানের সাথে এখন টিভিসিও খুব সম্পৃক্ত। তাই এই মাধ্যমে আরো দারুণ কিছু কাজ দেখানোর সুযোগ রয়েছে।
আপনি একাধিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত। প্রেজেন্টার্স প্লাটফর্ম অব বাংলাদেশ (পিপিবি) নামের একটি নতুন সংগঠনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এর কার্যকরীতা প্রসঙ্গে জানতে চাই...
সংগঠনের মূলশক্তি আর মূল আনন্দ হলো একসাথে অনেকের সাথে একটা সম্মেলন। তাই আমি এটাকে খুব ইতিবাচক হিসেবে দেখি। সেক্ষেত্রে সব সংগঠনই যে সমান সক্রিয় থাকবে তা হয় না। কিন্তু আমাদের এই যে সংযুক্তি এটাই সবচেয়ে আনন্দের। পিপিবি নিয়ে আমরা অনেকদূর এগিয়েছি। নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করছি। এছাড়া সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমি ও আমার সভাপতি আব্দুন নুর তুষার ভাই প্রতিনিয়ত এটাকে নিয়ে ভাবছি। সাংস্কৃতিক সংগঠন সমাজের জন্য ইতিবাচক।
দীর্ঘদিনের এই ক্যারিয়ারে নতুন আর কী করার ইচ্ছে?
আমি আসলে খুব অল্পতে সন্তুষ্ট হওয়া মানুষ। একসাথে অনেকগুলো কাজ কখনো করিনি। জীবনে তাই আমার প্রাপ্তি বেশি। কারণ প্রত্যাশা কম। এরপরও দর্শকরা আমাকে এতটা বছর ভালোবাসায় আগলে রেখেছে, এটাই তো বিশাল পাওয়া।