পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনাধীন

ইত্তেফাক রিপোর্ট

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটেনি। প্রশ্ন ফাঁস রোধে পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তনের বিষয়ে সরকারের কাছে বেশকিছু প্রস্তাব রয়েছে। প্রস্তাবগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। বাস্তবতার নিরিখে পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। গতকাল রবিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১১ আসনের সরকার দলীয় এমপি এম. আবদুল লতিফের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী একথা বলেন।

বিরোধী দল জাতীয় পার্টির (জাপা) সংসদ সদস্য পীর ফজলুল রহমান মিসবাহর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের জন্য তিনি ইতোমধ্যেই অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। অর্থ প্রাপ্তি সাপেক্ষে ধাপে ধাপে দুই হাজার প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হবে। খুব দ্রুত এই কাজটি শুরু করতে পারবেন বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

একই প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা নিয়ে গত সংসদে আমি নিজেও প্রশ্ন করেছিলাম। ইতোমধ্যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে তাদের প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তথ্য দিয়েছে। প্রায় সাড়ে ৯ হাজার প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদন পাওয়া গেছে। সেখান থেকে দুই হাজার প্রতিষ্ঠানকে যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে থেকে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ প্রাপ্তি সাপেক্ষে এমপিওভুক্ত করা হবে।

আরেক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে দীপু মনি বলেন, কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুব অল্প সময়ে এমপিভুক্ত হয়েছে। আবার কিছু প্রতিষ্ঠান বছরের পর বছর অপেক্ষা করেও এমপিও পায়নি। এখানে একটি ন্যায্যতার প্রশ্ন রয়েছে। এখন আমরা যোগ্যতার ভিত্তিতে এমপিওভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছি। কুষ্টিয়া-৪ আসনের সরকার দলীয় এমপি সেলিম আলতাফ জর্জের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতায় অনুষ্ঠিত পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও বিটিআরসিকে নিয়ে জাতীয় মনিটরিং এবং আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির সভা অনুষ্ঠান এই পদক্ষেপের অন্যতম।