আজ আখেরি মোনাজাত

টঙ্গীর তুরাগ তীরে তাবলিগ জামাতের সা’দ অনুসারিদের বিশ্ব ইজতেমা সোমবার দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত হয়েছে। গতকাল বাদ ফজর থেকেই ইজতেমা ময়দানে চলছে ধর্মীয় বয়ান। ফজরের নামাজের পর বয়ান করেন দিল্লির হযরত মাওলানা মুরসালিন। এ বয়ান বাংলায় তরজমা করেন বাংলাদেশের মাওলানা আবদুল্লাহ মনসুর। এ ছাড়া একই দিন বাদ জোহর থেকে মাগরিব পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তাবলিগ জামাতের শীর্ষ পর্যায়ের মুরুব্বীগণ বয়ান করেন। তারা হচ্ছেন— যথক্রমে দিল্লির হযরত মাওলানা শাহজাত, বাংলাদেশের মাওলানা সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম ও মাওলানা শওকত হোসাইন।

ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে দেশ বিদেশ থেকে আগত সা’দ অনুসারি ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা তাদের নির্ধারিত খিত্তায় অবস্থান নিয়েছেন। রবিবার থেকেই তারা জামাতভুক্ত হয়ে ইজতেমা ময়দানে ধর্মীয় আলোচনা, তালিম, জিকির আসকারে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। সকলেই যেন আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টির জন্য ইবাদত-বন্দেগিতে মসগুল।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে পাঁচদিনের ইজতেমার পরিসমাপ্তি ঘটবে। বিশ্ব তাবলিগ জামাতের আমির দিল্লির হযরত   মাওলানা সা’দ-এর নির্দেশক্রমে তাবলিগ জামাতের ৩২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ইজতেমা ময়দানে এসেছেন। সোমবার দুপুরে এক প্রেসব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন ইজতেমার এ পর্বের মুরুব্বি মাওলানা আশরাফ আলী। এ প্রতিনিধি দলের প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দিল্লির নিজামউদ্দিন মারকাজের অন্যতম মুরুব্বি হযরত মাওলানা শামীম। তিনিই মাওলানা সা’দের পরামর্শে এ পর্বের বিশেষ তাত্পর্যপূর্ণ আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে সা’দপন্থি মুরুব্বীরা জানান, যেহেতু বিশ্ব তাবলিগ জামাতের আমীর মাওলানা সা’দ সেহেতু তার পরামর্শেই আগামী জানুয়ারি মাসে বিশ্ব ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ করা হবে। আমরা চাই বাংলাদেশের ইজতেমায় মাওলানা সা’দ-এর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হোক। তার অবর্তমানে বিশ্ব ইজতেমার পরিপূর্ণতা আসে না। যাতে আগের মতো মাওলানা সা’দ ইজতেমায় আসেন এবং ইজতেমার রূপ যাতে পায় তার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।