ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি নির্বাচন

সহিংসতা এড়াতে প্রার্থীদের দিকে বিশেষ নজর ইসির

ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র পদে উপনির্বাচন এবং ঢাকার দুই সিটিতে সম্প্রসারিত ওয়ার্ডগুলোতে নির্বাচনে বড় ধরনের কোনো সহিংসতার আশঙ্কা করছে না আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। তবে যেকোনো সহিংসতা এড়াতে সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের দিকে বিশেষ নজর দিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিশেষ করে কাউন্সিলর প্রার্থীদের ওপর এই নজরদারি রাখা হবে। এক্ষেত্রে কোনো প্রার্থীর ‘অশুভ কর্মকাণ্ডের’ প্রমাণ মিললে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দুই সিটি নির্বাচন উপলক্ষে সোমবার ইসিতে আয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ওই সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন রেকর্ডে রাখার মতো সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ হয়েছে। এটা আমি দাবি করতে পারি প্রকাশ্যে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সার্বিক সহযোগিতা ছিল বলেই সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করা সম্ভব হয়েছে। উপজেলা ও সিটি নির্বাচনেও একই পরিবেশ থাকবে বলে আশা করি। 

 বৈঠক শেষে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, প্রার্থীদের কড়া নজরদারিতে রাখা হবে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে আমাদেরকে বলা হয়েছে যে, তারা কড়া নজরদারিতে রাখবেন। বিশেষ করে কাউন্সিলর প্রার্থী যারা আছেন, তারা যাতে কোনো প্রকার গণ্ডগোল বা অন্যকোনো বিষয়ে চিন্তা না করতে পারেন। আগেই তাদের মুভমেন্টগুলো ফলো করা হবে। যদি সেরকম কোনো কিছু দেখে, তাহলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আইনগতভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন উপলক্ষে সোমবার ইসি সচিবালয়ে এ আইন-শৃঙ্খলা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার কার্যপত্রে এ নির্বাচনে নিরাপরাধী বা বিনা ওয়ারেন্টে কাউকে গ্রেফতার না করা হয় সেদিকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে বলা হয়েছে।