ঘরের মাঠে বিদায় বলতে চান গেইল

আগের ম্যাচেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিয়েছেন ডোয়াইন ব্রাভো। শনিবার (৬ নভেম্বর) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলে ফেলেছেন শেষ ম্যাচটিও। একইদিন বিশ্বকাপে নিজের শেষ ম্যাচটি খেলেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদ্বন্তী ক্রিস গেইলও। তবে এখনই অবসর নিচ্ছেন না তিনি।

ম্যাচ শেষে জানিয়েছেন, ঘরের মাঠ জ্যামাইকায় জাতীয় দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের শেষ ম্যাচটি খেলতে চান। অবশ্য, শনিবার ম্যাচ চলাকালীনই সবাই ধরে নিয়েছিল, এটাই বুঝি গেইলের শেষ ম্যাচ। কারণ, অল্প রানে আউট হলেও ব্যাট উঁচিয়ে গেইলের মাঠ ছাড়া, সতীর্থদের থেকে অভিবাদন পাওয়া এবং দর্শকদের কাছ থেকে বিদায় নেওয়া। অজিদের বিপক্ষে সবই ঘটেছে গেইলের। আর এসব একজন বিদায় নেওয়া ক্রিকেটারের বেলায় ঘটে থাকে। এমনকি অবসরের ঘোষণা দেওয়া ব্রাভোর সঙ্গে তার গভীর আলিঙ্গন সেটিরই ইঙ্গিত দিয়েছিল।

ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শের সঙ্গে গেইলের খুনশুটি

তবে সেই ধারণা ভেঙে দিলেন ইউনিভার্স বস। জানিয়েছেন, এটা তার শেষ ম্যাচ ছিল না। ঘরের মাঠে বিদায় বলতে চান। অবশ্য বিশ্বকাপে দেশের হয়ে এটাই তার শেষ ম্যাচ। তাই এমন উদযাপন।

অবশ্য, এবারের বিশ্বকাপ শুরুর আগে ক্রিস গেইল বলেছিলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অষ্টম বা আগামী আসরেও খেলতে চান। কিন্তু সপ্তম আসরে তার দল সুপার টুয়েলভ থেকে বিদায় নিচ্ছে। পুরো টুর্নামেন্টে দুই-একজন ছাড়া সবাই ব্যর্থ। গেইল নিজেও সেই তালিকায় আছেন। তাইতো বুঝতে পারছেন, আগামী বিশ্বকাপে তার খেলার সম্ভাবনা খুব একটা নেই।

গেইলকে অভিবাদন জানাচ্ছেন সতীর্থরা

ম্যাচ শেষে টি-টোয়েন্টির সর্বকালের সেরা এই তারকা বলেন, ‘এটা আমাদের জন্য অনেক হতাশাজনক বিশ্বকাপ ছিল। বিশেষ করে আমার জন্য এবং আমার সবচেয়ে খারাপ টুর্নামেন্ট। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটে অনেক মেধা রয়েছে এবং আমাদের আরও অনেকদূর যেতে হবে। নতুনদের প্রতি সমর্থন এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটকে শুভকামনা জানাই।’

কবে বিদায় জানাবেন সেই প্রসঙ্গে গেইল বলেন, ‘মাঠে সবাই উপভোগ করেছি। দর্শকদের সাড়া দিচ্ছিলাম, তাদের সঙ্গে মজা করছিলাম। কারণ, এটা আমার শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ। অবশ্য আরও একটি বিশ্বকাপ খেলতে চাই। কিন্তু আমার মনে হয় না, সেই সুযোগ পাবো। এখনই অবসর নিচ্ছি না। জ্যামাইকায় নিজের দেশে শেষ ম্যাচ খেলে তার পরই অবসরে যেতে চাই।’

ইত্তেফাক/টিএ