এই গেলো মাসে উৎসাহিত হয়ে জিমে ভর্তি হলেন। দুই তিনদিন পর উৎসাহ হারিয়ে আবার ঘরে। জিমের ওয়ার্ক আউট ঠিক আপনার জন্য না। এদিকে স্বাস্থ্য নিয়েও চিন্তার শেষ নেই। ওজন বাড়তে শুরু করেছে। ওজন কমাবেন কিভাবে তাহলে? আপনি কি ভেবে দেখেছেন ঘরের ছোটখাটো কাজ করলে সহজেই ওজন কমানো যায়? হ্যাঁ, হয়তো জিমের মতো উপকার মিলবে না, তবে আপনার স্বাস্থ্য ভালো রাখার পাশাপাশি ঘরের কাজও অনেকটা এগিয়ে থাকলো। তাহলে চলুন কিভাবে ঘরোয়া কাজ করে নিজের শরীরের ক্যালরি পোড়াবেন। এতে আপনার মেটাবোলিজম এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যোন্নতি ঘটবে তা নিশ্চিত।
ঘর পরিষ্কার করুন
ঘর পরিষ্কার করার কাজটুকু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘর ঝাড়ু দেয়া এবং চারপাশের আসবাবপত্র মুছে ধুলো ঝাড়ার কাজ করলে বেশ ভালো পরিমাণ ক্যালরি ঝরাতে পারবেন। বিশেষত সপ্তাহে ছুটির দিন বা মাসে একবার পুরো ঘর ভালোভাবে পরিষ্কার করলে সারাদিনই ভালো পরিশ্রম করতে হবে। এছাড়া নিয়মিত হালকা পাতলা ঝাড়ু দেয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
বিছানা বদলে নেয়ার অভ্যাস
বিছানা বদলে ফেলার জন্যেও বেশ পরিশ্রম করতে হয়। যদি ঘরে বেশ কয়েকটি বিছানা থাকে, তাহলে সময় করে বিছানা বদলে ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলুন। কারো ওজন ১২৫ পাউন্ড হলে আধাঘন্টায় বিছানা বদলে সে ১৯০ ক্যালরি মেদ ঝরাতে পারবেন।
গাড়ি পরিষ্কার করুন
আপনার যদি গাড়ি থাকে তাহলে সপ্তাহে একবার পরিষ্কার করুন। প্রায় আধাঘণ্টার মতো ঘাম ঝরাতে পারলে ১২৫ পাউন্ডের একজন ব্যক্তি ১৩৫ ক্যালরি ঝরাতে পারবেন।
বাচ্চাদের সাথে খেলাধুলা করুন
বাচ্চাদের সাথে সময় কাটিয়েও আপনি কিছুটা প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে পেতে পারেন। বাচ্চাদের সাথে সময় কাটাতে গেলে আপনার ঘম ঝরবে অবশ্যই। এতে মন ও শরীর দুটোই উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বাচ্চাদের সাথে প্রায় আধাঘণ্টা সময় কাটাতে পারলে ১২৫ পাউন্ডের একজন ব্যক্তির শরীর থেকে ১৭৮ ক্যালরি মেদ ঝরে পড়ে।
খাবার শেষে প্লেট ধুয়ে নিন
অনেকেই খাবার শেষে প্লেটটা সিংকে রেখে আসেন। কিন্তু খাবার শেষে প্লেট ধুয়ে ফেলার অভ্যাস করা আপনার স্বাস্থ্যের জন্যেও ভালো।
বাগানে সময় কাটান
বাগান করতে গেলে শান্তভাবে প্রচুর কাজ সাড়তে হয়। এসময় আগাছা তোলা, গাছে পানি দেয়া, গাছের খুঁটি শক্ত করা, এবং অন্যান্য কাজ করতে গিয়ে শরীরের পেশি বাড়ন্ত হতে শুরু করে। এছাড়াও বাগানে কাজ করলে প্রচুর ক্যালরি ঝরানো সম্ভব।
ঘরের টুটকো ফাটকা কাজ করতে পারলে সহজেই ক্যালরি ঝরানো যায়। শুধুমাত্র ওজন কমানোর উদ্দেশ্যেই কাজ করতে হবে তা না। ঘরের কাজে সাহায্য করতে পারার মধ্যেও এক ধরণের স্বাভাবিক ছন্দ সৃষ্টি হয়।