যে কারণে রাস উৎসব যেতে পারেন অন্য ধর্মাবলম্বীরা

সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের বঙ্গোপসাগরের মোহনায় শুক্রবার ভোরে পুণ্য স্নানের মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তিন দিনব্যাপী রাস উৎসব। এবারের রাসপূজা ও পূর্ণ স্নানে অংশ নেন হাজার হাজার পুণ্যার্থী।

তবে, এবার সুন্দরবনের জীববৈচিত্র সংরক্ষণের স্বার্থে দুই শত বছরের পুরাতন ঐতিহাসিক রাস মেলা হয়নি। সনাতন ধর্মাবলম্বী ছাড়া রাস উৎসব দেখতে অন্য ধর্মের কাউকে সুন্দরবনের দুবলার চরের আলোরকোলে যেতে দেওয়া হয়নি।

 

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র সংরক্ষণের স্বার্থে এবার সীমিত পরিসরে শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সেখানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। পুণ্যার্থীরা আজকের মধ্যে (শুক্রবার) নির্দিষ্ট করে দেওয়া ৫ নৌপথ দিয়ে লোকালয়ে ফিরে আসবেন।

প্রতি বছর নভেম্বর মাসে রাস পূর্ণিমার তিথিতে বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, বরিশাল, চট্টগ্রামসহ নানা প্রান্ত থেকে ২০ থেকে ৩০ হাজার পুণ্যার্থীসহ বিভিন্ন ধর্মের পর্যটকরা সুন্দরবনের আলোরকোলে রাস উৎসবে অংশ নিয়ে থাকেন। তবে, এবার অন্য ধর্মাবলম্বী যাওয়ার অনুমতি না দেওয়ায় লোক সমাগম অর্ধেকে নেমে এসেছে।