শেবাচিমের গাইনি বিভাগের প্রধান ও নার্স ইনচার্জ সাময়িক বরখাস্ত

বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ময়লার স্তূপে ৩১টি সংরক্ষিত অপরিণত শিশুর (ফিটাস) ভ্রূণ ও বিভিন্ন অরগান উদ্ধারের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালের গাইনি বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. খুরশীদ জাহান বেগম ও ওয়ার্ডের নার্স ইনচার্জ জ্যোত্স্না আক্তারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন জানান, ফিটাসগুলোর ময়নাতদন্তের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ডাস্টবিন থেকে উদ্ধার ভ্রূণগুলো ২৫/৩০ বছর আগের। এগুলো শিক্ষার্থীদের প্রাকটিক্যাল কাজের জন্য হয়ত ব্যবহার করা হতো। গাইনি বিভাগের প্রধান খুরশীদ জাহান বেগম বলেন, ৬ মাস পূর্বে এখানের দায়িত্ব নেই আমি। যেখানে এ ভ্রূণ ও টিউমারসহ বিভিন্ন অরগান ছিল সেই জায়গাটিকে আমরা স্টোর রুম হিসেবে জানতাম। কক্ষটিকে পরিষ্কার করতে বলি নার্স ইনচার্জকে। মূলত এগুলো ব্যবহার হয় না অধ্যয়নের জন্য। এখন ছবি দিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়ানো হয়ে থাকে। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোঃ মোশারফ হোসেন জানান, ময়নাতদন্ত শেষে দেহাবশেষগুলো সত্কার করা হবে। অধ্যক্ষ ডা. সৈয়দ মাকসুমুল হক জানান, ময়নাতদন্তের জন্য চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।