স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ
আজ ২০ ফেব্রুয়ারি বুধবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর, মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক, ভাষাসৈনিক ও স্বাধীনতা পদকে (মরোণত্তর) ভূষিত প্রয়াত জননেতা এ কে এম শামসুজ্জোহারের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি ছিলেন একাধারে আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, গণ পরিষদের সদস্য ও স্বাধীনতা পরবর্তী জাতীয় সংসদের সদস্য। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের শরণার্থী শিবিরে তিনি ‘ত্রাণবন্ধু’ নামে পরিচিত ছিলেন। প্রয়াত এই জননেতা সর্বপ্রথম ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর হাইকোর্টে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন এবং বাংলাদেশ বেতারের মাধ্যমে বিজয়ের বার্তা প্রচার করে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। ঐ দিন অপরাহ্নে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা, বঙ্গবন্ধু কন্যা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পাক সেনাদের হাতে আটক বঙ্গবন্ধু পরিবারকে মুক্ত করতে গিয়ে পাক সেনা কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারায়ণগঞ্জের একটি সুধী সমাবেশে সেই ঘটনাটি নিজ মুখে বর্ণনা করেছিলেন। প্রয়াত শামসুজ্জোহার সহধর্মিণী ও রত্নগর্ভা নাগিনা জোহাও ছিলেন ভাষাসৈনিক। মহান মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় প্রয়াত সামসুজ্জোহাকে ২০১২ সালে স্বাধীনতা পদক (মরণোত্তর) এ ভূষিত করা হয়। এ দিকে, দিনটি উপলক্ষে মরহুমের পরিবার ও নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন দিনভর কর্মসূচি পালন করবে। দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- পবিত্র কোরআনখানি, শোক র্যালি, কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত, দোয়া মিলাদ ও আলোচনা সভা। মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে মেজো ছেলে সেলিম ওসমান এমপি ও ছোট ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা এ কে এম শামীম ওসমান এমপি সকলকে রুহের মাগফেরাত কামনায় চাষাঢ়াস্থ পৈতৃক বাড়ি হীরা মহল সংলগ্ন মসজিদে বাদ আছর আয়োজিত মিলাদ ও দোয়ায় অংশ গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করেছেন।