ইত্তেফাক রিপোর্ট
বাংলাদেশে ইউরোপের ক্রেতাদের সমন্বয়ে গঠিত গার্মেন্টস কারখানা পরিদর্শন জোট অ্যাকর্ডের কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়া ইস্যুতে এখনো কোন সমাধান আসেনি। ইতোমধ্যে ইউরোপের কোন কোন দেশে অ্যাকর্ডের কার্যক্রম চলমান রাখার পক্ষে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে গার্মেন্টস কারখানা মালিক তথা বাংলাদেশের অবস্থান জানতে চেয়েছে ইউরোপের দেশ নেদারল্যান্ডস। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকায় দেশটির রাষ্ট্রদূত হ্যারি ভারউয়িজ বিজিএমইএ’র নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাত্ করে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন। এ সময় তিনি জানান, রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর অ্যাকর্ড অ্যালায়েন্সের সহযোগিতায় গত সাড়ে পাঁচ বছর সময়ে বাংলাদেশের গার্মেন্টস কারখানায় শ্রমিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় উন্নতি হয়েছে। তা সত্ত্বেও অ্যাকর্ডের কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়া ও ট্রেড ইউনিয়ন কিংবা শ্রম অধিকার ইস্যুতে বাংলাদেশ সম্পর্কে তাদের দেশে নেতিবাচক প্রচারণা রয়েছে। বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন প্রচারণা চালাচ্ছে। এছাড়া অ্যাকর্ড চলে যাওয়ার পর কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকির জন্য সরকারি উদ্যোগে গঠিত সংস্কার সমন্বয় সেলের (আরসিসি) প্রস্তুতি, সক্ষমতা সম্পর্কেও জানতে চেয়েছেন। বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, এর জবাবে বিজিএমইএ’র নেতারা তাদের যুক্তি তুলে ধরে অ্যাকর্ডের কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার পরও আরসিসি’র আওতায় কারখানার সংস্কার তদারকির কাজ স্বাভাবিক গতিতে চলবে বলে আশ্বস্ত করা হয়। বৈঠকে বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, পরিচালক আ ন ম সাইফুদ্দিন ও মুনির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশের গার্মেন্টস পণ্যের অন্যতম রপ্তানি গন্তব্য এবং দেশটির আমস্টারডামে অ্যাকর্ডের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।