ওজন কমাতে চাচ্ছেন? কিন্তু বুঝতে পারছেন কাজটা হয়ে উঠছে না। একটা সময় ধরে নিলেন আদপে আমার তো কোনো লাভ নাই, তাহলে আমি এভাবেই থাকি। কিন্তু একবার কি ভেবে দেখেছেন যে স্মার্টফোনের কারণে আপনার ওজন কমছে না? ভাবেন নি তো? না ভাবাই যুক্তিসঙ্গত। একাকী সময়ে স্মার্টফোন আপনাকে সংযোগ করিয়ে দিচ্ছে হাজারো মানুষের সাথে। আর আমরা স্মার্টফোন সবসময় সঙ্গে রাখতে রাখতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছি।
তবে স্মার্টফোন সবসময় সাথে রাখা কোনোমতেই ভালো অভ্যাস হতে পারেনা। কিন্তু আধুনিক সময়ে ফোন ছাড়াও থাকা মুশকিল। এদিকে বেশি ফোন ব্যবহার করলে দেহে স্ট্রেস হরমোন নিঃসরণ হয়। আর স্ট্রেস হরমোনের ফলে দেহের ওজন বেড়ে যায়।
অনেকে সিদ্ধান্ত নেন নিয়মিত হাঁটার। ভালো কথা, কাজের সিদ্ধান্ত। কিন্তু হাঁটার সময় হুট করে ফোনের নোটিফিকেশনে নজর গেলো আটকে। হাঁটার গতি স্লথ হয়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। শ্লথগতিতে হেঁটে কোনোভাবেই ওজন কমানোর চিন্তা করা সম্ভব না।
অনেকেই আবার ডায়েট করেন। কিন্তু ওই যে, খাবার খাওয়ার সময়েও ফোনের দিকে চোখ। আপনি যে আদপে খাচ্ছেন এবং আদৌ কিছু খাচ্ছেন সেদিকে মনোযোগ নেই। এইদিকে আপনি অতিরিক্ত খেয়ে ফেলতে পারেন। তাতে লাভ তো হবেই না উলটো ওজন বাড়বে৷
রাতের ঘুম খুবই জরুরী। অনেকে ঘুমোনোর আগে একটু ফোন ঘাটতে চান। এই একটু যে কখন অনেকটুকু হয়ে যায় তা অনেকে বুঝতে বুঝতে অনেক রাত হয়ে যায়। তাতে রাতের ঘুম তো ভালো হয়না উলটো স্ট্রেস হরমোন নিঃসরণ হয়৷ এতে ওজন বাড়ে।
ওয়ার্ক আউটে গিয়েছেন কিন্তু মনোযোগ ফোনে? এতে মোটেও কোনো উপকার পাবেন না। বরং স্ট্রেস বাড়বে।