চলতি বছর টেস্ট ক্রিকেটে হেসেই চলেছে লিটন দাসের ব্যাট। যার ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত চট্টগ্রাম টেস্টে তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। প্রথম ইনিংসে ১১৪ রানের ইনিংস খেলার পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৫৯ রান। দুটো ইনিংসই ছিল চাপের মুহূর্তে। বাংলাদেশের হারের কারণে অবশ্য তা বিফলে গেছে। তবে ব্যক্তিগত দিক থেকে তা লিটনকে এনে দিয়েছে ক্যারিয়ার সেরা র্যাংকিং। ২৪ ধাপ এগিয়ে টেস্ট ব্যাটিং র্যাংকিংয়ের ৩১তম স্থানে চলে এসেছেন তিনি।
উন্নতি হয়েছে মুশফিকুর রহিমেরও। চট্টগ্রাম টেস্টে ৯১ ও ১৬ রান করা অভিজ্ঞ এই ব্যাটার তিন ধাপ পেরিয়ে উঠে এসেছেন ১৯ নম্বরে। অবনতি হয়েছে মুমিনুল হকের। দুই ইনিংসে ৬ ও ০ রান করা বাংলাদেশ অধিনায়ক ৫ ধাপ পিছিয়ে আছেন ৩৫ নম্বরে।
বোলিং র্যাংকিংয়ে তিন ধাপ এগিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৭ ও পরের ইনিংসে ১ উইকেট নেওয়া এই বাঁহাতি স্পিনার সাকিব আল হাসানকে (২৫) পেছনে ফেলে উঠে এসেছেন ২৩-এ। বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে তাইজুলই আছেন সবার ওপরে। মুকুটটা এর আগে মেহেদি হাসান মিরাজের কাছে থাকলেও দুই ধাপ পিছিয়ে ২৬ নম্বরে আছেন এই ডানহাতি স্পিনার। চট্টগ্রাম টেস্টে উইকেটহীন থাকা পেসার আবু জায়েদ রাহী ৬ ধাপ পিছিয়ে নেমে গেছেন ৬৭ নম্বরে।
এদিকে, বাংলাদেশের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া পেসার শাহনি শাহ আফ্রিদি পৌঁছে গেছেন ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে। তিন ধাপ এগিয়ে পাঁচে আছেন তিনি। ক্যারিয়ার সেরা র্যাংকিংয়ের দেখা পেয়েছেন পাক ওপেনার আবিদ আলিও। ১৩৩ ও ৯১ রান করে ম্যাচ সেরা হওয়া এই ব্যাটারের অবস্থান মুশফিকের ঠিক পরেই।