২৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

ইত্তেফাক রিপোর্ট

ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রতারণার মাধ্যমে ২ শত ৯৪ কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি বেআইনিভাবে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির নিকট বিক্রির দায়ে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি,  রেজিস্ট্রার ও সেটেলমেন্ট অফিসের ৯ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বুধবার দুদকের তদন্তকর্মকর্তার প্রতিবেদন যাচাই বাছাই করে কমিশন এ চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে। শিগগিরই বিচারিক আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করা হবে বলে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা উপ-পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন।

চার্জশিটে যাদের নাম রয়েছে তারা হলেন বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেডের সদস্য (প্রশাসন) মোঃ কামরুল আলম, পরিচালক (সংগঠন ও পদ্ধতি) আবু বকর মোঃ মমশাদ মাশরেকী, নোয়াখালী জেলা রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ইয়াকুব, গুলশানের সাব-রেজিস্ট্রার (সাময়িক বরখাস্ত) মোঃ হেলালউদ্দিন, সেটেলমেন্ট প্রেসের উপসহকারী সেটেলমেন্ট মোঃ শহিদুল ইসলাম, আবুল কাশেম, কম্পোজিটর (পেশকার) মোঃ আলী আকবর খান, সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার তপন চৌধুরী, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হোসাইন মোহাম্মদ মামুন, আমিন (অবঃ) নিজামুল হায়দার চৌধুরী, পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোং লিমিটেডের প্রাক্তন লিগ্যাল অ্যাডভাইজার মোঃ শহীদুল ইসলাম, ঢাকা সদরের দলিল লেখক নাসিরউদ্দিন আহম্মদ, ঢাকার তেজগাঁওয়ের বাসিন্দা মোঃ ওসমান গনি, মিসেস নাজমা বেগম, ফরিদপুরের মিসেস শাহনাজ মামুন, লাক্সারী হাউজিং লিমিটেডের মালিক শহীদুজ্জামান চৌধুরী, লেঃ কর্নেল মোঃ দিদারুল আলম (অবঃ), নরসিংদীর বাসিন্দা টিএম শামছুত তাবরিজ চৌধুরী, মাদারীপুরের সৈয়দ ছালোয়ার হোসেন, মোল্লা গাজী সালাউদ্দিন আহম্মেদ, মঞ্জুর আহম্মদ, মোঃ বাচ্চু মিয়া, মোঃ বেলায়েত হোসেন লিটন মাঝি ও সৈয়দ জিয়াউদ্দিন হোসেন। দুদক সূত্র জানায়, গুলশানের কড়াইলে সরকারি ৬ দশমিক ৬৭৫৬ একর সম্পত্তি বেআইনিভাবে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডকে দেওয়া হয়। এবং এই প্রক্রিয়ার সময় কর্মকতাদের সঙ্গে ৯১ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেন করা হয় বলে ২০১১ সালের ২ নভেম্বর দুদকের তত্কালীন উপসহকারী পরিচালক (বর্তমান সহকারী পরিচালক) সৈয়দ আতাউল কবির বাদী হয়ে গুলশান মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।