শীত এলেই বাঙালির আলসেমি বেড়ে যায়। অন্য ঋতুতে যারা কষ্ট করে হলেও সকালে হাঁটাহাটি করেন, তারা একটু ঠাণ্ডা পড়তেই কম্বলের বাইরে বের হতে চান না। একদিকে শরীরচর্চা যেমন বন্ধ, অন্যদিকে খেজুরের রস, মিষ্টি পিঠা খাওয়ার ধুম পড়ে। তাহলে জেনে নিন শীতে শরীরচর্চা বন্ধ করলে যেসব ক্ষতি হতে পারে।
হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত
নিয়মিত শরীরচর্চা করলে হৃদযন্ত্র সচল থাকে। রক্ত চলাচলও ভালো হয়। শরীরচর্চা করলে হৃদরোগের আশঙ্কা কমে। তবে শারীরিক পরিশ্রম যত কম করবেন, প্রতিদিনের কাজ করতে গিয়ে তত বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়বেন। হৃদযন্ত্রও ঠিকঠাক কাজ করা বন্ধ করে দেবে ধীরে ধীরে। সহজেই হাঁপিয়ে যাবেন। কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। হৃদস্পন্দনও অস্বাভাবিক হয়ে পড়বে।
মাংসপেশি দুর্বল হয়ে যায়
মাংসপেশি আরও শক্তিশালী করে তোলার পেছনে শরীরচর্চা একটি বড় ভূমিকা পালন করে। দীর্ঘদিন তা বন্ধ রাখলে মাংসপেশিগুলো ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়বে। এতে শারীরিক দুর্বলতাও অনেক বেড়ে যাবে। সামান্য ভারী জিনিস তুলতেও কষ্ট হতে পারে।
ঘুমের সমস্যা বেড়ে যাবে
অনেকেই বিশ্বাস করতে চান না, একটানা ভালো ঘুমের জন্য শরীরচর্চা কতটা জরুরি। নিয়মিত শরীরচর্চা করলে শরীরে এনার্জির অভাব হবে না। সারাদিন আরও স্ফূর্তিতে কাজ করতে পারবেন। এবং রাতেও নির্বিঘ্নে ঘুমাতে পারবেন। শরীরচর্চা না করলে রাতে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।
রক্তে শর্করার মাত্রা
দীর্ঘদিন শারীরিক পরিশ্রম না করলে রক্তে শর্করার মাত্রা হেরফের হয়ে যেতে পারে। এতে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। শরীরচর্চা অভাবে কার্বোহাইড্রেট হজম করতে সমস্যা হয় শরীরের। তাই রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়।