বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে দেশের ঐহিত্যবাহী গণমাধ্যম দৈনিক ইত্তেফাকের। গণমানুষের মুখপাত্র ইত্তেফাক হাঁটি হাঁটি পা করে আজ ৬৯ তম প্রতিষ্ঠাবর্ষে পদার্পণ করছে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদার। তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা সংগ্রামে জনমত গঠনে ভূমিকা রাখায় ইত্তেফাকের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।’
বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে ইত্তেফাকের অবদানের কথা উল্লেখ করে এই উপাচার্য বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে দৈনিক ইত্তেফাকের ভূমিকা অপরিসীম। বিশেষ করে আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধে ইত্তেফাকের অনেক অবদান ছিল। ১৯৬৫ সাল থেকে ইত্তেফাক দেখে আসছি, তখন আমি তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিলাম, তখনো পত্রিকা বলতে আমার বাসায় দৈনিক ইত্তেফাক আসতো। এখনো আমাদের বাসায় ইত্তেফাক আসে।’
দেশের ঐহিত্যবাহী গণমাধ্যম দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাবর্ষে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বুয়েট উপাচার্য বলেন, ‘পত্রিকা বলতে ইত্তেফাক-ই বুঝতাম। এখনো বুঝি। আমার প্রজন্ম যারা তারাও ইত্তেফাক পড়ে।’
বাংলাভাষার চর্চাটা যেন ইত্তেফাকের মাধ্যমে হয়, সেই আশাবাদ ব্যক্ত করে এই শিক্ষাবিদ বলেন, ‘আমি আশা করব ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন ইত্তেফাককে স্মরণ রাখে এবং বাংলাভাষার চর্চাটা যেন ইত্তেফাকের মাধ্যমেই হয়। বাংলাভাষা আমরা মোবাইলে যেভাবে লিখি, সেটি কিন্তু বিকৃত হয়ে যাচ্ছে। ইংরেজি অক্ষর দিয়ে বাংলাভাষা লেখা এটা যেন না হয়, সেদিকে যেন ইত্তেফাক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।’
ইত্তেফাকের ভূমিকা অপরিসীম, যেটা বলে শেষ করা যাবে না উল্লেখ করে বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদার বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে দৈনিক ইত্তেফাক ৬৯ বছরে পদার্পণ করছে, এটি একটি স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে।’