সুযোগটা সাব্বির রহমান পেতে পারতেন। তিনি ফর্মে ছিলেন। সাকিব আল হাসানের মতো মিডল অর্ডারে ব্যাট করতে পারেন। কিন্তু সেই সুযোগ সাব্বির পেলেন না। পেলেন সৌম্য সরকার। টেস্ট সিরিজে অনিশ্চিত সাকিব আল হাসানের বিকল্প হিসেবে নিউজিল্যান্ডে রেখে দেওয়া হলো ওপেনার সৌম্যকে।
গতকাল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন নিউজিল্যান্ডে থাকা বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার খালেদ মাসুদ পাইলট। তিনি জানিয়েছেন, দুই দফায় টেস্টে না থাকা ওয়ানডের ক্রিকেটাররা দেশে ফিরে আসবেন। তবে থেকে যাবেন সৌম্য। সৌম্যর থাকার ব্যাখ্যা দিয়ে জাতীয় দলের নির্বাচক হাবিবুল বাশার বলেছেন, ‘সাকিব তো এখনও অনিশ্চিত একটা অবস্থায় আছে। তাই ওর ব্যাকআপ হিসেবে সৌম্যকে রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
বিপিএল ফাইনালের দিন বাম হাতের অনামিকায় চোট পান সাকিব। সেই চোটের পর থেকে তিন সপ্তাহের জন্য আটকে রাখা হয়েছিল ওই আঙুলটা। ফলে সাকিব শুরুতেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ থেকে ছিটকে যান। এরপর অপেক্ষা ছিল তার টেস্ট সিরিজে খেলার। কিন্তু সাকিব প্রথম টেস্টে যে খেলতে পারছেন না, সেটা নিশ্চিত হয়ে গেছে। তবে বিসিবি এখনও আশা করছে, এই দেশসেরা ওপেনার শেষ দুটি টেস্ট হয়তো খেলতে পারবেন।
সাকিব যে এখনও পুরো সিরিজ থেকে ছিটকে যাননি, সেটা জানিয়ে হাবিবুল বলেছেন, ‘আমরা সাকিবকে এখনই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পুরো টেস্ট সিরিজ থেকে রুল আউট বলে বলছি না। তবে অবশ্যই সে প্রথম টেস্ট মিস করবে। আমরা এখন অপেক্ষা করছি যে, ওর আঙুলে যে ক্লিপ লাগানো আছে, সেটা খেলার পর আসলে কী অবস্থা দাঁড়ায় তা দেখার জন্য। এরপর আমরা ওর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারবো। ওর যদি এই সময়ে যথেষ্ট ভালো উন্নতি হয়, তাহলে সে হয়তো দলের সাথে পরের দুই টেস্টের জন্য যোগ দিতে পারে।’ সাকিব বিপিএলে ছিলেন ঢাকা ডায়নামাইটসের অধিনায়ক। তিনি ব্যাটিংয়ের সময় থিসারা পেরেরার এক বলে আহত হন। এরপর দ্রুতই তার আঙুলের এক্স রে করে দেখা যায়, আঙুল ভেঙে গেছে।
৯ ফেব্রুয়ারি বিসিবির চিকিত্সক জানান, তিন সপ্তাহের মতো সময়ের জন্য তার আঙুলের নড়াচড়া বন্ধ থাকবে। ফলে শুরুতেই তাকে ওয়ানডে সিরিজ থেকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর প্রথম টেস্টের দল থেকেও বাইরে আছেন সাকিব।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে হ্যামিলটনে প্রথম টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। এরপর ৮ মার্চ থেকে ওয়েলিংটনে শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট। আর ১৬ মার্চ থেকে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের শেষ ও তৃতীয় টেস্ট।