জাপানে টোকিও অলিম্পিক গেমস আগামী বছর। বাংলাদেশের শ্যুটারদের এখনও ভাগ্য নিশ্চিত হয়নি। ওয়াইল্ড কার্ড নিয়ে যাবে নাকি কোটা প্লেস পেয়ে যাবে তা এখনও নিশ্চিত না। তবে ওইয়াল্ড কার্ডের বিষয়ে এখনও কোনো খবর আসেনি বাংলাদেশের শ্যুটারদের। কোটা প্লেস পাওয়ার জন্য বাংলাদেশ সর্বস্ব উজাড় করে দিয়ে লড়াই করে যাচ্ছে। আগামী টোকিও অলিম্পিক গেমসের আগে চারটি শ্যুটিং বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের শ্যুটাররা চেয়েছেন সবকয়টি বিশ্বকাপ শ্যুটিংয়ে অংশগ্রহণ করবেন। কোনো না কোনোভাবে যদি সুযোগ হয়ে যায় তাহলে বাংলাদেশের শ্যুটার টোকিও অলিম্পিক গেমসে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। সেই লক্ষ্য নিয়ে আজ সকালে ভারতের দিল্লীতে শ্যুটিং বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের ১১ শ্যুটার। শ্যুটিংয়ে ৮ জনের ফাইনাল হয়। বাংলার শ্যুটারদের প্রথম লক্ষ্য ফাইনালে উত্তীর্ণ হওয়া। ফাইনালে গিয়ে যদি সেরা পাঁচজনে থাকা যায় তাহলে সুযোগ এসে যেতে পারে। কারণ যারা পদক জয়ের তালিকায় থাকবেন তারা এরই মধ্যে অলিম্পিকে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে ফেলেছেন। যারা নিশ্চিত হয়ে গেছেন তারা দিল্লীর বিশ্ব শ্যুটিংয়ে পদক পেলেও প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান হতে সরে যাবেন। উপরে উঠে আসবেন নিচের শ্যুটাররা। এসব বিবেচনা বাংলার শ্যুটারদের সুযোগ আছে।
১০ মিটার এয়ার রাইফেল, ১০ মিটার এয়ার পিস্তল ইভেন্টে সম্ভাবনা দেখছেন শ্যুটাররা। ১১ জন শ্যুটারের মধ্যে ৫ জন নারী এবং ৬ জন পুরুষ শ্যুটার রয়েছেন। অলিম্পিক গেমস শ্যুটিংয়ের চেয়েও বিশ্ব শ্যুটিংয়ে অনেক বেশি শ্যুটার অংশগ্রহণ করে যে কারণে এখানে শ্যুটারদের উপর চাপ থাকে বেশি। চাপ কাটিয়ে উঠে আসা কঠিন হলেও শ্যুটার শাকিল আহমেদ সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন অলিম্পিক কোটার প্রথম লড়াইয়ে চাপ থাকবে।
রাইফেল কোচ যাচ্ছেন গোলাম সফিউদ্দিন খান ও পিস্তল কোচ কোরিয়ান কিম ইল ইয়ং। শ্যুটারদের ৬ জন পিস্তলে ৫ জন রাইফেলে। আবদুল্লাহ হেল বাকি, রবিউল ইসলাম, অর্ণব শারার লাদিফ, সৈয়দা আতকিয়া হাসান দিশা, উম্মে জাকিয়া সুলতানা টুম্পা অংশ রাইফেল ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবেন। পিস্তল ইভেন্টে শাকিল আহমেদ, নুর হাসান আলিফ, আবদুর রাজ্জাক, আরদিনা ফেরদৌস, আরমিন আশা ও নিলুফা ইয়াসমিন।