অভিনয়শিল্পী সংঘের সভাপতি শহীদুল আলম সাচ্চু’র কাছে একুশে ফেব্রুয়ারির কার্যক্রম জানতে চাওয়া হলে বলেন, ‘কোনোকিছু করতে পারিনি। সব বাতিল করেছি। চকবাজারের এই ভয়াবহতার পর আর কিছু করা যায় না। ছুটে গিয়েছি। সংগঠনের পক্ষ থেকেও কিছু উদ্যোগ নেবো ভাবছি।’
নাট্যকার নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ভাষাহারা। পুরান ঢাকার মেয়ে আমি। সেখানেই বেড়ে ওঠা। কী আর বলবো। কী লিখবো! সংস্কার হওয়া দরকার।’
অভিনেতা আরেফিন শুভ আরেক নির্মাতা সানিয়েত হোসেনের স্ট্যাটাস কপি করে লিখেছেন, ‘আমাদের রাস্তায় গাড়ি চলে না। চলে টাইম বোম। আজকে চকবাজারে একটা ফেটেছে। কালকে আমার বাড়ির পাশেরটা ফাটবে।’
চিত্রনায়ক শাকিব খান তার ভেরিফাইড ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ঢাকার চকবাজারে গতকাল ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে যারা মারা গেছেন তাদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করছি।’
অভিনেতা অপূর্ব লিখেছেন, ‘কী তুচ্ছ আমাদের জীবন। আমরা শোকাহত, ব্যথিত, মর্মাহত।’
অভিনেত্রী তানভিন সুইটি লিখেছেন, ‘২১! ভয়াবহ এক শোকের দিন! এ যেন লাশের মিছিল! হায় চকবাজার!’
প্রেজেন্টারর্স প্লাটফর্মের সাধারণ সম্পাদক প্রখ্যাত উপস্থাপক আনজাম মাসুদ লিখেছেন, ‘এই ভয়াবহতা অসহনীয়। আমরা এর পুনরাবৃত্তি চাই না।’
অভিনেতা সাইমন সাদিক লিখেছেন, ‘আমরা যদি একটু সচেতন হতাম তাহলে হয়তো শোকের মিছিল এত বড় হতো না। যার যায় একমাত্র সে জানে স্বজন হারানোর যন্ত্রণা কত ভয়াবহ। ভাষার দিনে ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না।’
অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া লিখেছেন, ‘ঘরবাড়ি আগুনে জ্বলছে, সমানতালে ক্যামেরার ফ্লাশ লাইট জ্বলছে... কী অদ্ভুত জীবন! মৃত্যুর মধ্যেও এ কোন স্মৃতি ধরে রাখার চেষ্টা?’
অভিনেত্রী ও শিল্পী সংঘের নেত্রী ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর লিখেছেন, ‘এই মুহূর্তে যারা কেন্দ্রীয় শহদ মিনার বা আশেপাশে আছেন তারা প্লিজ ঢাকা মেডিকেলে যান। প্রচুর রক্তের প্রয়োজন। সবার কাছে অনুরোধ করছি।’
এছাড়া প্রায় সকলেই নিজেদের বিনোদনমূলক কার্যক্রম বাতিল করেছেন বলে জানা যায়।