সরাইল (ব্রাক্ষণবাড়িয়া) সংবাদদাতা
ভাষা শহীদদের সম্মানে খালি পায়ে প্রভাত ফেরি করাই নিয়ম। কিন্তু বৃহস্পতিবার সরাইলে জুতা পায়েই প্রভাত ফেরি করেছে সরাইল উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা থেকে শুরু করে প্রভাত ফেরিতে নেতৃত্বদানকারী সকলের পায়ে ছিল জুতা। এছাড়া পুষ্পস্তবক অর্পণ, প্রভাত ফেরিসহ এ দিবসের সরকারি সকল অনুষ্ঠানই ছিল জনপ্রতিনিধি শূন্য।
জুতা পায়ে অনুষ্ঠিত প্রভাত ফেরিটি সরাইলের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহিদ মিনারে এসে শেষ হয়। সাড়ে ৯টায় ইউএনও এএসএম মোসার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট নাজমুল হোসেন। তবে স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান পুরুষ মহিলাসহ কোনো জনপ্রতিনিধিই উপস্থিত ছিলেন না ওই অনুষ্ঠানে। শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়েছেন সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার। সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ জহিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সহিদ খালিদ জামিল খান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এএসএম মোসা শহিদ মিনারে ফুল দেওয়ার সময় খালি পায়ে যেতে হয়, আর জুতা পায়ে প্রভাত ফেরি হওয়ার কথা স্বীকার করে জানান, আসলে আমরা যেটা করি সেটা র্যালি হয়ে যায়। প্রভাত ফেরি নয়। জনপ্রতিনিধি সকলকেই যথাযথ পক্রিয়ায় দাওয়াত করেছি। কেন আসেননি বুঝতে পারছি না।