বয়সকে যতই একটি সংখ্যা বলা হোক না কেন, বয়সের ছাপ সবার প্রথমে ত্বকের ওপরই পড়ে। একটা সময় মনে করা হতো, ৩০ বছর পর ত্বকে বলিরেখা দাগছোপ দেখা দিবে কিন্তু বলিরেখা হওয়ার কোনো নির্দিষ্ট বয়স নেই।
চামড়ায় প্রথম ভাঁজ পড়লেই জানবেন সময় হয়েছে বার্ধক্যের। ঘরোয়া কিছু নিয়ম মানলে বলিরেখা রোধ করা যায়। সবচেয়ে সহজ ও কার্যকরী উপায় হলো অ্যান্টি এজিং ফেসমাস্ক। সহজেই বাড়িতে তৈরি করতে পারবেন এই অ্যান্টি এজিং ফেসমাস্কগুলো। নিয়মিত ব্যবহারে কিছু দিনের মধ্যেই পার্থক্যটা দেখতে পাবেন নিজের চোখেই।
অ্যালোভেরা ও গ্রিন টির ফেসমাস্ক
প্রথমে গ্রিন টি তৈরি করে ঠাণ্ডা করে নেবেন। দুই টেবিল চামচ গ্রিন টির সঙ্গে এক টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে মুখে ও ঘাড়ে লাগাতে হবে। আঙুল দিয়ে হালকাভাবে ম্যাসাজ করবেন। তার পর ১৫ থেকে ২০ মিনিট এটি ত্বকে রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটি সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার ব্যবহার করলে এক মাসের মধ্যেই পার্থক্য উপলব্ধি করতে পারবেন।
ডিম ও দইয়ের ফেসপ্যাক
একটি ডিম ভেঙে হলুদ অংশটা আলাদা করে একটি পাত্রে রেখে দিতে হবে। এবার অন্য একটি পাত্রে সাদা অংশটা ভালো করে ফেটিয়ে নিয়ে এতে এক টেবিল চামচ টক দই মিশ্রিত করুন। সারা মুখে ও ঘাড়ে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করুন শুকিয়ে যাওয়ার জন্য। সবশেষে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার বা দুইবার ব্যবহার করতে পারেন। এতে ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্তভাব দূর হয়ে যাবে।
নারকেল তেল ও অলিভ অয়েল
নারকেল তেল ও অলিভ অয়েল সমান পরিমাণে মিশিয়ে ত্বকে আলতো করে ম্যাসাজ করতে পারেন। ম্যাসাজের পর কিছুক্ষণ রেখে দিয়ে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটি প্রতিদিন ব্যবহার করতে পারেন।
কলার ফেসপ্যাক
একটি পাকা কলার খোসা ছাড়িয়ে নিয়ে ছোট ছোট টুকরা করে চামচ দিয়ে ম্যাশ করে নেবেন। ম্যাশ করা কলা দিয়ে মুখ ও ঘাড়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করে ১০-১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করলে ব্রণর সমস্যা দূর হয়ে যাবে।