দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ফুলবাড়ীয়া পাবলিক লাইব্রেরি

ফুলবাড়ীয়া পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার পর এরই মধ্যে তিনবার বন্ধ হয়েছে। ৩২ বছরে তিনবার বন্ধের পর এখন একেবারেই তা বন্ধ রয়েছে। বন্ধ থাকায় নষ্ট হচ্ছে প্রায় আড়াই হাজার মূল্যবান বই।

জানা যায়, ১৯৮৭ সালে পাবলিক লাইব্রেরিটি চালু হলেও ১৯৯২ সালে হঠাত্ করে বন্ধ হয়ে যায়। লাইব্রেরি থেকে নেওয়া অনেক বই ফেরত দেয়নি পাঠকরা। ১৯৯৩ সালে আবারও সদস্য সংগ্রহের কাজ চলে। কয়েক মাস চালু থাকার পর পুনরায় বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে পুরাতন কোট ভবন পূর্ব ও দক্ষিণ পাশে পাবলিক লাইব্রেরির জন্য হাফবিল্ডিং টিনসেট ঘর নির্মাণ করা হয়। এর পর থেকে তিন বছর লাইব্রেরি নিয়মিতই খোলা হতো, পাঠকও আসতো। এরপর আবারও বন্ধ হয়ে যায়।

লাইব্রেরিয়ান ও নৈশপ্রহরীর বেতন-ভাতা না দেওয়ার গ্যাড়াকলে পড়ে বারংবার পাবলিক লাইব্রেরিটি বন্ধ হয়েছে বলে অভিযোগ পাঠকদের।

ফুলবাড়িয়া কলেজের বিএ প্রথমবর্ষের শিক্ষার্থী রাজিয়া আক্তার বলেন, পাবলিক লাইব্রেরিটি নিয়মিত খোলা থাকলে বইপ্রেমিদের নিয়মিত যাতায়াত থাকতো। পাঠ্যবইয়ের বাইরেও ভালো লেখকের বই পড়ে জ্ঞান অর্জন সম্ভব হত।

গণগ্রন্থাগারের সদস্য এম আর মতিন বলেন, উপজেলা প্রশাসন এলাকার পাঠকদের কথা চিন্তা করে সমৃদ্ধ ও আলোকিত জাতি গঠনে লাইব্রেরি নতুন করে আবারও কার্যক্রম চালু করবে আশা আমাদের।

লাইব্রেরির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ কুতুবউদ্দিন বলেন, লাইব্রেরিটি চালু করে নতুন নতুন বই সংগ্রহ, লাইব্রেরিয়ান ও নৈশপ্রহরীর বেতন-ভাতার স্থায়ী সমাধান করলেই এটি আবারও প্রাণ ফিরে পাবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লীরা তরফদার জানান, লাইব্রেরিটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করেছি। নতুন উদ্যোমে চালু করার জন্য লাইব্রেরিটি সংস্কারের জন্য দরপত্র আহবান করা হবে যা প্রক্রিয়াধীন।