জিনস সব সময়ই তারুণ্যের প্রতীক। শীতে বয়সে তরুণদের একটা জিন্স ও একটি সোয়েট টি-শার্ট পরে নিলেই ড্রেসিং সম্পূর্ণ হয়ে যায়। তবে সঠিক আউটফিট খুঁজে পাওয়ার জন্য একটু তো চিন্তাভাবনা করতেই হয়। স্কিনি জিনস কিংবা বয়ফ্রেন্ড জিনস পরে অনেকেই স্বস্তি বোধ করেন না। এর কারণ শরীরের আকার বা বডি শেপ। সাধারণত বডি শেপ অনুযায়ী জিনস বেছে নেওয়া প্রয়োজন। প্রথমে নিজের শরীরের গড়ন বুঝতে হবে এবং তারপর সে অনুযায়ী জিনস বেছে নিতে হবে।
যাদের পা লম্বা এবং শরীরের উপরের অংশ (কোমর থেকে কাঁধ) তুলনামূলক চওড়া তারা স্কিনি জিনস পরতে পারেন। এতে কোমর, নিতম্ব এবং পায়ের আকার সুস্পষ্টভাবে বোঝা যাবে। যদি আপনি লম্বা হোন, কিন্তু শরীরের আকার হয় নাসপাতির মতো তাহলে স্ট্রেটকাট স্লিম ফিট জিনস বেছে নেওয়াটাই উত্তম। এটি শুধু আপনার শরীরের আকারকেই স্পষ্ট করবে না বরং দেখতেও স্মার্ট লাগবে।
এখন কিন্তু জিনসের ট্রেন্ড বদলে হয়েছে। গত দশকে স্কিনি জিনসের দাপট ছিল ফ্যাশন জগতে। ন্যারো জিনস তারপর পেনসিল ন্যারো এরপর অ্যাঙ্কেল লেন্থের ন্যারো জিনসও ছিল। টর্নড বা রিপড জিন্সও একইভাবে ট্রেন্ড ছিল। তবে ৭০ ও ৮০ এর দশকে পশ্চিমা ফ্যাশনে জনপ্রিয় ছিল বেল বটমস। এমনকি ৯০ এর দশকে বলিউডে অ্যান্টি স্কিনি জিনসই ছিল অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ফ্যাশন স্টেটমেন্ট। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্টাইলিংও বদলায়। ২০০০ সাল থেকেই বাজারে জায়গা করে নেয় স্কিনি জিনস। প্রথমে লো ওয়েস্ট তারপর হাই ওয়েস্ট স্কিনি জিনস জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
এই দশকে সেই ট্রেন্ড যেমন অনেকটা বদলে গেছে তেমনই পুরাতন কিছুও নতুন হয়ে ফিরে এসেছে। এখন ভেন্টিস্কিনি জিনস পরতে পারেন। কারণ এটাই ট্রেন্ড। ফ্লেয়ার জিনস, বেল বটমস, বয়ফ্রেন্ড জিনস—এগুলো রাখতে পারেন ফ্যাশন ও স্টাইলিংয়ে। উচ্চতা যদি তুলনামূলক কম হয়, তবে হাই ওয়েস্ট বয়ফ্রেন্ড জিনস ট্রাই করতে পারেন। যাদের কোমর থেকে শরীরের নিচের অংশ তুলনামূলক চওড়া, তাদের শরীরের নিম্নাঙ্গ একটু ভারী হয়। তারা স্কিনি জিনস এড়িয়ে চলবেন। লো ওয়েস্টও না পরে হাই ওয়েস্ট জিনস বেছে নিতে পারেন। বেল বটমসও খারাপ হবে লাগবে না তাদের। পাশাপাশি ট্রাই করতে পারেন ফ্লেয়ার পালাজো স্টাইল জিনসও।