পটিয়ায় কাটা হচ্ছে কৃষি জমির টপ সয়েল!

পটিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ধানি কৃষি জমিতে অবাধে টপ সয়েল কাটার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর ফলে কৃষি জমির পরিমাণ দিন দিন কমে যাচ্ছে। তাছাড়া ইটভাটা, বসতভিটা ও পুকুর ভরাট কাজে ব্যবহূত হচ্ছে এসব মাটি।

এ বিষয়ে গত সোমবার পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাবিবুল হাসানের নির্দেশে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো. সাব্বির আহমেদ সানি অভিযান চালিয়ে কেলিশহর খিল্লাপাড়া মডেল টাউন এলাকা থেকে একটি মাটি কাটার এস্কেভেটর জব্দ করেন। তবে খবর পেয়ে এস্কেভেটর রেখে টপ সয়েল কাটা লোকজন পালিয়ে যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পটিয়া উপজেলা হাইদগাঁও সাতগাউছিয়া মাজার, হাইদগাঁও জিয়ারপাড়া, গুচ্ছগ্রাম, কেলিশহর মডেল টাউন, খিল্লাপাড়া, ছত্তারপেটুয়া, নাগারা বিল, কচুয়াই পাহাড়ি এলাকা, খরনা, ধলঘাট প্রবাহ স্টোরসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিটি পয়েন্টে ১০/১৫জন লোক ও এস্কেভেটর দিয়ে কৃষি জমিতে মাটি কেটে ট্রাক, ড্রাম, মিনি পিকআপ ও ট্রলি ভর্তি করে উজার করছে অসাধু মাটি ব্যবসায়ীরা। নিষিদ্ধ এ যানবাহন চলাচল করায় গ্রামীণ রাস্তাঘাট ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে এবং ধ্বংস হচ্ছে কৃষি জমি। কৃষি জমির উপরিভাগের উর্বর অংশ কেটে নিয়ে ইটভাটা, বসতভিটা ও পুকুর ভরাট কাজে ব্যবহার করছে।

পটিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু জাফর মো. মঈনুদ্দিন বলেন, সাধারণ কৃষকদের অসচেতনতার সুযোগে এক শ্রেণির মাটি ব্যবসায়ী কৃষি সম্পদের সর্বনাশ করছে। এ ব্যাপারে মাঠ পরিদর্শন করে শিগগির কৃষকদের বোঝানোর চেষ্টা করা হবে।

পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাবিবুল হাসান জানান, পটিয়া উপজেলার কেলিশহর খিল্লাপাড়া মডেল টাউন এলাকায় টপ সয়েল কাটার খবর পেয়ে পটিয়া সহকারী কমিশনার ভূমি সাব্বির আহমেদ সানিকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি অভিযান চালিয়ে একটি এস্কেভেটর জব্দ করেন। এবং মাটি পরিবহনের গাড়িগুলো পালিয়ে যায়। উপজেলায় এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।