নিকলীতে ১১ বছর ধরে প্রসূতি অস্ত্রোপচার বন্ধ

নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিত্সক সংকট থাকায় প্রায় ১১ বছর ধরে প্রসূতি অস্ত্রোপচার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে করে হাওরবেষ্টিত নিকলীর প্রসূতিরা কম খরচে সরকারি চিকিত্সা সেবা থেকে  বঞ্চিত হচ্ছেন।

জানা গেছে, অবেদনবিদ ডা. মোজাম্মেল হোসেন এবং স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ ও প্রসূতি  শল্যচিকিত্সক ডা. সেলিনা হক ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে বদলী হয়ে চলে যাওয়ার পর থেকেই এ পদ শূন্য। তখন থেকেই সেখানে প্রসূতিদের অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে লাখ লাখ টাকার যন্ত্রপাতি অযত্নে পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে গেছে।

উপজেলার কারপাশা ইউনিয়নের শহরমুল গ্রামের ইন্নছ মিয়া জানান, গত শুক্রবার আমার স্ত্রীর সিজারের জন্য নিকলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসি। ডাক্তার না থাকায় সিজার করাতে পারি নাই। পরে কিশোরগঞ্জ প্রাইভেট হাসপাতাল মেডিল্যাবে প্রায় ২৫ হাজার টাকা খরচ করে  সিজার করা হয়েছে। আমার টাকা ও সময় দুইটায় অপচয় হয়েছে। আসা-যাওয়ার ঝুঁকি এবং দুর্ভোগও ছিল অনেক।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনা আক্তার জানান, ১১ বছর ধরে এখানে ডাক্তারের অভাবে প্রসূতি অস্ত্রোপচার হয় না, এটা দুঃখজনক।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচও) আস আদ দীন মাহমুদ বলেন, অবেদনবিদ এবং প্রসূতি সার্জনের শূন্য পদে লোক চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কয়েক বার লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এ দুই পদে চিকিত্সক নিয়োগ হলেই অস্ত্রোপচার শুরু হবে।