গজারিয়ায় বাসস্ট্যান্ডের জন্য নির্ধারিত জায়গায় বহুতল ভবন ও মার্কেটের টয়লেটের টাংকি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে মার্কেট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এছাড়া বাসস্ট্যান্ডের জায়গা দখল করে বিভিন্ন দোকান বসিয়ে ভাড়া আদায়ের অভিযোগও রয়েছে মার্কেট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় লোকজন ও উপজেলা নিরাপদ সড়ক চাই কমিটির সদস্য মো. মাসুম মৃধা বলেন, টাংকি নির্মাণে বাধা ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে নারায়ণগঞ্জ সড়ক বিভাগ কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
উপজেলার ভবেরচর ইউপি চেয়ারম্যান সাঈদ মোহাম্মদ লিটন অভিযোগ করেন, যেহেতু মার্কেটটি মহাসড়কের পাশে, তাই এটি নির্মাণের আগে উচিত ছিল পার্কিং ও তাদের ব্যবহারের জন্য জায়গা রেখে নির্মাণ করা। কর্তৃপক্ষ তা না করে এখন সওজ’র জায়গা দখল করে কার পার্কিং ও টয়লেটের টাংকি নির্মাণ করছে। এ কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলরত যাত্রী পরিবহনগুলো দাঁড়ানোর জন্য জায়গা না পেয়ে মহাসড়কেই যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছে। এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে প্রাণহানির ঘটনা।
উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা আরজুরুল হক বলেন, মার্কেটটি সম্পূর্ণ অপরিকল্পিতভাবে প্রথমে দ্বিতীয়তলা করা হয়। তবে এটি করার বৈধ কোনো কাগজপত্র নেই। তারপরেও কর্তৃপক্ষ ধীরে ধীরে বহুতল মার্কেটে পরিণত করছে।
মিয়াজী সুপার মার্কেটের পরিচালক মো. মিজানুর রহমান মিয়াজী বলেন, তারা কোনো জায়গা দখল করেননি। সড়ক ও জনপথের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে মৌখিক অনুমতি নিয়ে মার্কেটের টয়লেটের পানি নিষ্কাশনের জন্য ছোট গর্ত করে স্লাবের মাধ্যমে ঢেকে দিয়েছেন। আর মার্কেটের সামনে স্থানীয় গরিব লোকজন নিজ দায়িত্বে দোকান বসিয়ে ব্যবসা করছে। তাদের কাছ থেকে কোনো ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না।
সড়ক ও জনপথের প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ প্রক্রিয়া চলমান। উল্লেখিত মার্কেটের সামনের জায়গাটি দেখেছি এবং সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে মার্কেটের সামনের স্থান ও মার্কেটের বারান্দা সড়ক ও জনপথের জায়গায় পড়েছে। কিছুদিনের মধ্যে মার্কেট কর্তৃপক্ষকে নোটিস করা হবে এবং তাদের স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলা হবে। তারা নিজ দায়িত্বে সরিয়ে না নিলে উচ্ছেদ প্রক্রিয়া চালানো হবে।