হিলি সীমান্তের শূন্য আঙিনায় (মুক্তিযোদ্ধা স্কয়ার) এপার বাংলা-ওপার বাংলা’র শিল্পীরা সমবেত কণ্ঠে একুশের গান গেয়ে উদযাপন করল অমর একুশে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এ উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার সকালে দুই বাংলার ভাষাপ্রেমীদের মধ্যে ঘটে সম্প্রীতির মিলনমেলা। হাকিমপুর পৌরসভাসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতায় ২০১৫ সাল থেকে এই মিলন মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। এবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুরের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উজ্জীবন সোসাইটি, বালুরঘাট ছন্দম, বালুরঘাট উত্তরের এবং বালুরঘাট-হিলি-বাংলাদেশ-মেঘালয় করিডোর কমিটির নেতৃবৃন্দ ও শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন। সীমান্তের চেকপোস্ট সংলগ্ন শূন্য আঙিনায় রেললাইন ঘেঁষে স্থাপন করা হয় “সম্প্রীতির অমর একুশের মঞ্চ এবং অস্থায়ী শহীদ মিনার”। সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে অস্থায়ী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দুই বাংলার অতিথিরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ঢাকার চকবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর সম্প্রীতির অমর একুশের মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় এক আলোচনা সভা। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার লিয়াকত আলীর সভাপতিত্বে এতে স্বাগত বক্তব্য দেন সাপ্তাহিক আলোকিত সীমান্ত’র সম্পাদক ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন পৌর মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত, হিলি আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহীনুর রেজা শাহীন, ভারতের বালুরঘাট-হিলি-বাংলাদেশ মেঘালয় করিডোর কমিটির আহ্বায়ক নবকুমার দাস এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের উজ্জীবন সোসাইটির সম্পাদক সূরজ দাশ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট-২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর আবু নাঈম খন্দকার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদুল হক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান লিটন।