বাফুফের একাডেমি

মেডিক্যাল টেস্টের পর নাম ঘোষণা

বাফুফের ফুটবল একাডেমির খেলোয়াড় বাছাইয়ের কাজ শেষ প্রান্তে এসে গেছে। কতোজন ফুটবলার নেয়া হবে তা কালও জানায়নি বাফুফে। তবে বাফুফের সভাপতি কাল সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন মেডিক্যাল টেস্টের পর চূড়ান্ত নাম ঘোষণা করা হবে। খেলার জন্য সালাহউদ্দিন বলেন, ‘প্রতিভা থাকলেই তো হবে না। সেই ফুটবলার খেলার জন্য ফিট নাকি আনফিট সেটাও দেখার বিষয় রয়েছে। একজন ফুটবলার ট্রায়ালে ভালো করছে। কিন্তু তার যদি হার্টে সমস্যা থাকে তাকে নিয়ে খুব বেশি দূর যাওয়া যাবে না। ফুটবল খেলাটাই তার জন্য কঠিন।’

চারটি বয়সের খেলোয়াড় নেয়া হবে একাডেমীতে। অনূর্ধ্ব-১৫, ১৬, ১৮ এবং ১৯ বছর বয়সের খেলোয়াড়দের নেয়া হবে। এরা পালাক্রমে প্রশিক্ষণ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে খেলবে। সাফের খেলা রয়েছে। এএফসির বয়সভিত্তিক ম্যাচ রয়েছে। সেখানে বয়সের একটা বিষয় থাকছে। বয়স চুরি করে জরিমানার দেয়ার ঘটনা রয়েছে আগেও। সেই ঘটনা যেন পুনরায় না ঘটে তাবই মেডিক্যাল টেস্টে বয়স যাচাই করা হবে। প্রতিভা থাকার পরও যদি অনূর্ধ্ব-১৫ বয়সের কোনো খেলোয়াড়ের বয়স বেশি পাওয়া যায় তাহলে তাকে বাদ দেয়া হবে না। তাকে অনূর্ধ্ব-১৬তে রাখা হবে। এভাবে বয়স অনুসরণ করা হবে। তবে অনূর্ধ্ব-১৯ বছরের খেলোয়াড়টির বয়স যদি বেশি হয় তাহলে তাকে রাখা হবে না বলে গতকাল দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন বাফুফের সভাপতি।  

বাফুফের স্ট্র্যাটেজিক এন্ড টেকনিকেল ডাইরেক্টর অস্ট্রেলিয়ান পল থমাস স্মলী জানিয়েছেন ইয়ুথ ডেভেলপমেন্টেরই একটা অংশ। জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে কম্পিটিশন এবং ট্রেনিং করিয়ে একটা পর্যায়ে আনা হয়েছে। ফাইনাল সিলেকশন হয়নি। আরো কিছু কাজ রয়ে গেছে। পল সম্মলী বলেন, ‘যাদের নেয়া হয়েছে স্বচ্ছতার সঙ্গেই বাছাই করা হয়েছে।’

বাফুফে সভাপতি জানিয়েছেন বাছাই প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। দুই মাস পর পর বাছাই করা হবে। তিনি বলেন, ‘চূড়ান্ত পর্বে ১০ জন টিকলে ১০ জন নেয়া হতে পারে। যদি ১১০ জন টিকে তাহলে ১১০ জনই নেয়া হবে। সেই ক্ষেত্রে আমাকে অন্যান্য রিসোর্সের ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ যদি আমার ঘরে তিন জনের থাকার জায়গা হয় আমি ১০ জন নিলে বাড়তি ব্যবস্থা করতে হবে। ঘর ভরার জন্য আমি খেলোয়াড় নেব না। মেডিক্যাল টেস্টে টিকে যাওয়াদের নাম ফাইনাল হওয়ার পর ছেলেদের বাবা-মায়ের সঙ্গে আমরা বসব। তাদের অনুমতি নেব।’

বাফুফেতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাবে বাফুফের সভাপতি সালাহউদ্দিন বলেন, ‘কেউ যদি খেলোয়াড় বাছাই করে ফুটবলে কাজ করে আমি স্বাগত জানাই। তবে আমার কাজ আমি করছি। ফুটবল নিয়ে রাজনীতি করার জন্য আমি কাজ করছি না। তাহলে প্রতিদিনই আমাকে টিভির পর্দায় দেখা যেত। টিভিতে মুখ দেখানোর জন্য কাজ করছি না।’