ব্যবহূত রডে সেতুর সংস্কার ঠিকাদারের এক বছর জেল

সিলেট-মৌলভীবাজার সড়কের একটি  সেতু সংস্কারে পুরাতন রড ব্যবহার করার প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল শুক্রবার দুদকের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে এ দুর্নীতির প্রমাণ পায়। তাত্ক্ষণিক মোবাইল কোর্ট সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে ১ বছরের জেল প্রদান করেন। দুদকের হট লাইনে আসা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক মহাপরিচালক (প্রশাসন) ও এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরীর নির্দেশে দুদকের সিলেট কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোস্তাফা বোরহান উদ্দিন ও উপসহকারী পরিচালক মোঃ আশরাফ উদ্দিনের সমন্বয়ে গঠিত এনফোর্সমেন্ট টিম এ অভিযান চালায়।

দুদক সূত্র জানায়, দুদক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পায়, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার সিলেট-মৌলভীবাজার সড়কের ফরিদপুর এলাকার  ৪০ ফুট বাই ১৭ ফুট একটি সেতুর সংস্কারে পুরাতন সেতুতে ব্যবহূত রড ব্যবহার করা হচ্ছে। দুদকের অনুরোধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ঠিকাদারকে ১ বছরের জেল প্রদান করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের নির্দেশে ওই সেতুর কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া এনফোর্সমেন্ট টিম কাটালপুর বাজারসংলগ্ন সরকারের সামাজিক বনায়নের বহু মূল্যবান গাছ কেটে ক্ষতিগ্রস্ত করার তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে। টিম এই ঘটনার সঙ্গে কারা কারা জড়িত এ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করছে।

অভিযান প্রসঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের যে কোনো প্রান্ত হতে দুর্নীতি ও সরকারি স্বার্থের ক্ষতি সাধনের তথ্য পাওয়া মাত্র দুদক অনুসন্ধান করছে এবং দুর্নীতি প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।